15th Aug 2019: আসন্ন অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন ,

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন এ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কে পুনরায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Prabir Kumar Dutta
( President )

Com. Sisir Kumar Roy
( Secretary )

Com. Debasis Dey
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 16th Jan 2020
 
[26th Jan 2020]

ভারত এর সংবিধান অনুযায়ী এটি একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র । ৭১তম প্রজাতন্ত্র দিবসে আমাদের শপথ গ্রহণ করতে হবে ভারতের সংবিধান এর উপর যে কোন আক্রমণ আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ করব।

 
 
[26th Dec 2019]

২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মহাজাতি সদন পযন্ত মিছিল 

 

সাথী জেলা সম্পাদক ও সার্কেল নেতৃবৃন্দ ,

 

 কমরেড, পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী 27শে ডিসেম্বর যে কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়েছিল তা পরিবর্তন হচ্ছে । এদিন আগামী ৮ই জানুয়ারী, 2020 দেশজুড়ে ধর্মঘটের সমর্থনে ও NRC, CAA, NPR কে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নিতির প্রতিবাদে আমাদের রাজ্যের ১৭টি বামপন্থী রাজনৈতিক দল ও কংগ্রেস সাথে সমস্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশনের যুক্ত মন্চের ঐতিহাসিক মিছিল সংগঠিত হবে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মহাজাতি সদন পযন্ত ।

এই মিছিল টি ঠিক 2 টো 30মিনিটে সুরু হবে। সকল কমরেড বন্ধুদের দুপুর ঠিক 2টোয় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানান হচ্ছে । 

 কেন্দ্রীয় সরকারের জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই মিছিল, একজন শ্রমিক কর্মচারী ও দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের এই প্রতিবাদ মিছিলে যুক্ত হবার প্রয়োজন, কমরেডরা সকলেই সামিল হবেন এই আশা করছি।

শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক 

 
[23rd Dec 2019]

৮ জানুয়ারি, ২০২০ সাধারণ ধর্মঘট বিএসএনএল - এ সফল করুন

 

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ওপেন মাস কনভেনশনে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্পোরেট অনুসারী ও শ্রমিক বিরোধী নয়া উদারবাদী নীতি প্রয়োগের বিরুদ্ধে ভারতের শ্রমিক শ্রেণীকে ৮ জানুয়ারি, ২০২০ একদিনের সাধারণ ধর্মঘট সংগঠনের ডাক দেওয়া হয়। ১২ ও ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত বিএসএনএলইইউ এর সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এই সাধারণ ধর্মঘট বিএসএনএল এও সফল ভাবে সংগঠিত করতে হবে।

কেন এই সাধারণ ধর্মঘট?

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহণ করার পর বলেছিলেন, "আমি গরীব পরিবার থেকে এসেছি। তাই গরীবের সেবায় আমি আমার সমস্ত শক্তি নিয়োগ করব।" বিগত ৫ ১/২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কর্পোরেট অনুসারী ও শ্রমিক বিরোধী নীতি রূপায়ণ করে চলেছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে যখন কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি কর্মচারীদের নূন্যতম বেতন ১৮০০০ টাকা করার দাবি জানান তখন নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকার সেই দাবি নাকচ করে দেন। কিন্তু বর্তমানে কর্পোরেট ট্যাক্স ৩০% থেকে ২২% ও ১৫% এ নামিয়ে আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের বৃহৎ পুঁজিপতিদের এই খাতে ১৪৫০০০ কোটি টাকা লাভ হলো। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া উদারবাদী নীতি কঠোর ভাবে অনুসরণ এর ফলে দেশের ধনীরা আরো ধনী ও গরীবরা আরো গরীব হয়েছে। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় ভারতে ২০১৭ উৎপাদিত মোট সম্পদের ৭৩% কুক্ষিগত হয়েছে জনসংখ্যার ১% এর হাতে। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্পোরেট অনুসারী ও শ্রমিক বিরোধী অর্থনৈতিক নীতির এর থেকে বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে?

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার উপর আক্রমণ

২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের উপর আক্রমণ ক্রমাগত বৃদ্ধি করে চলেছে। ভারতীয় রেলকে ব্যাপক ভাবে বেসরকারীকরন করছে। কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে, ১৫০টি ট্রেন বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার রেলের বিভিন্ন কারখানাগুলিকে বেসরকারীকরন এর লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যার বিরুদ্ধে ব্যাপক সংগ্রাম সংগঠিত হচ্ছে। সরকার সমস্ত অর্ডনান্স ফ্যাক্টরিগুলি যেখান থেকে দেশের সৈন্য বাহিনীর প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলা বারুদ উৎপাদিত হয় সেগুলি দ্রুত বেসরকারীকরন এর প্রচেষ্টা করছে। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশের ৪১টি অর্ডনান্স ফ্যাক্টরির প্রায় ১ লক্ষ প্রতিরক্ষা শ্রমিক আগষ্ট, ২০১৯ এ ৫ দিনের ধর্মঘট করেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের সংস্কার এর নামে মোদী সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করছে। ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে ৪টি ব্যাঙ্কে পরিণত করা এই দিকে একটি পদক্ষেপ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির এই সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধে ২২ অক্টোবর, ২০১৯ একদিনের ব্যাপক ধর্মঘট সংগঠিত করেন ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা । ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (বিপিসিএল) যা বিগত অর্থ বর্ষে ব্যাপক লাভ করেছে সেই সংস্থাকেও সরকার বেসরকারীকরন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এইচপিসিএল বা অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির বেসরকারীকরন আর খুব বেশি দেরি নেই। ২৮ নভেম্বর, ২০১৯ রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি এক দিনের ব্যাপক ধর্মঘট সংগঠিত করেছিল এই বেসরকারীকরন এর বিরুদ্ধে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি স্মরণে আনতে হবে যে উপরোক্ত ধর্মঘটগুলি কর্মচারীদের দাবি দাওয়া আদায়ের বদলে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রগুলি রক্ষার জন্য সংগঠিত হয়েছিল।

শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার এর উপর আক্রমণ

দেশের যে সমস্ত শ্রম আইন গুলো আছে সেগুলো আকাশ থেকে পড়ে নি। দেশের শ্রমিক শ্রেণীর এগুলো কষ্টার্জিত অধিকার। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার এই আইনগুলিকে পরিবর্তন করার জন্য নিরলস চেষ্টা করে চলেছে। "শ্রম আইন সংশোধন " করার নামে যেটুকু নূন্যতম সুরক্ষা কর্মচারীদের এই আইনগুলি নিশ্চিত করেছিল তা হয় তুলে দেওয়া হয়েছে অথবা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই শ্রম আইন সংশোধন মালিক পক্ষের হাতে কর্মচারীদের আরো বেশি শোষণ করার ক্ষমতা তুলে দিয়েছে।

বিএসএনএল কে রক্ষা করতে হবে

কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএনএল এর আর্থিক পুনরুদ্ধার প্রকল্প ঘোষণা করেছে। এই পুনরুদ্ধার প্রকল্পে প্রায় ৮০০০০ কর্মচারী কে স্বেচ্ছাবসরের নামে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে বিএসএনএল কে বেসরকারীকরন বা বিলগ্নীকরণ করা হবে না। কিন্তু এই ঘোষণা গুলির প্রকৃত পক্ষে কোন মূল্য নেই। যতদিন মুকেশ আম্বানি টেলিকম ক্ষেত্রে থাকবে ততদিন বিএসএনএল বেসরকারীকরন এড়াতে পারবে না। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রকে সুরক্ষিত রাখতে না পারলে বিএসএনএল সুরক্ষিত থাকতে পারে না।

২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে পরপর তিনটি ধর্মঘট করা সত্ত্বেও বিএসএনএল এর তৃতীয় বেতন চুক্তি আদায় করা সম্ভব হয় নি। বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থার দোহাই দিয়ে বেতন সংশোধন নাকচ করা কর্মচারীদের উপর মস্ত অবিচার। একই ভাবে, পেনশন সংশোধন বেতন সংশোধন এর সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত হওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও তা আদায় করা যায় নি। বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর জন্য আর্থিক সহায়তা, বিএসএনএল এ নিযুক্ত কর্মচারীদের ৩০% অবসরকালীন সুবিধা, নিয়মিত ও অনিয়মিত কর্মচারীদের বেতন সময় মত প্রদান ইত্যাদি দাবিগুলি আদায় করতে হলে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে।

তাই বিএসএনএল কে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিসেবে রক্ষা করতে ও আমাদের ন্যায্য দাবিগুলি আদায় করতে আমরা বিএসএনএল এর সমস্ত কর্মচারীদের ব্যাপক সংখ্যায় ধর্মঘটে অংশ গ্রহণ করতে আহ্বান জানাচ্ছি।

দাবি সনদ

অংশ ক

১) রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রগুলি বিলগ্নীকরণ / বেসরকারীকরন বন্ধ কর।

২) মালিক পক্ষের পক্ষে শ্রম আইন সংশোধন চলবে না।

৩) নূন্যতম মজুরি ২১০০০ টাকা সুনিশ্চিত করতে হবে।

৪) দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫) কর্ম সংস্থান এর মাধ্যমে বেকারী বৃদ্ধি রুখতে হবে।

৬) সমস্ত শ্রমিক কর্মচারীদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।

৭) সবার জন্য নূন্যতম পেনশন ১০০০০ টাকার ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় সরকারকে করতে হবে।

অংশ খ

১) বিএসএনএল কে বেসরকারীকরন / বিলগ্নীকরণ করা চলবে না।

২) বিএসএনএল কর্মচারীদের তৃতীয় বেতন সংশোধন ০১.০১.২০১৭ থেকে চালু করতে হবে।

৩) বিএসএনএল এর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ / উন্নয়ন এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্ষতির ক্ষতিপূরণ করার জন্য বিএসএনএল কে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। 

৪) বিএসএনএল এর অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন সংশোধন ০১.০১.২০১৭ থেকে চালু করতে হবে।

৫) বিএসএনএল নিযুক্ত কর্মচারীদের ৩০ % অবসরকালীন সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৬) বিএসএনএল কর্মচারীদের নির্দিষ্ট দিনে বেতন বিএসএনএল / ডিওটি কে প্রদান করতে হবে।

৭) জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের বেতন প্রদান সুনিশ্চিত করতে হবে।

কম শিশির রায়,

সার্কেল সম্পাদক

 
[23rd Dec 2019]

বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর সার্কেল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত 

 

আজ ২৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর সার্কেল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা আয়োজিত হয়েছিল টেলিফোন ভবন লেডিজ ক্লাবে। এই সভায় সভাপতিত্ব করেন কম প্রবীর দত্ত । কম শিশির রায় ৮ জানুয়ারি, ২০২০ একদিনের সাধারণ ধর্মঘট সংগঠনের গুরুত্ব ও তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন। এর পর বিস্তারিত আলোচনার পর সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে,

১) আগামী ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ সাধারণ ধর্মঘট এর সমর্থনে কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এ একটি কেন্দ্রীয় জমায়েত সংগঠিত হবে দুপুর ১টায় টেলিফোন ভবনে ।

২) কর্মচারীদের ও সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের দাবিগুলি প্রচারের জন্য পোস্টার ও লিফলেট শীঘ্রই দেওয়া হবে।

৩) ধর্মঘটে কর্মচারীদের সামিল হওয়ার জন্য প্রতিটি এরিয়ায় গ্রুপ মিটিং অনুষ্ঠিত করতে হবে ।

৪) আগামী ৬ জানুয়ারি, ২০২০ টেলিফোন ভবন এর সামনে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে ।

৫) ৭ জানুয়ারি, ২০২০ প্রতিটি অফিস এ ধর্মঘট সফল করার জন্য প্রচার করতে হবে।

শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ 

 
[21st Dec 2019]

সিটি জেলার নবম জেলা সম্মেলন 

 

আজ ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯ বিশ্বনাথ দেচৌধুরী সভা ঘর এ সিটি জেলার নবম জেলা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় । ইউনিয়ন এর রক্ত পতাকা উত্তোলন ও শহীদদের স্মৃতিতে মাল্যদান এর পর  কম শিশির রায, জেলা সভাপতি  সভার কাজ শুরু করেন। কম বন্দনা ঘোষ সরকার, জেলা সম্পাদক সভায় উপস্থিত সদস্যদের সামনে শাখার কার্যবিবরণী ও আয় ব্যায়ের হিসাব আলোচনার জন্য পেশ করেন। কম বিশ্বজিৎ শীল, সহকারী সার্কেল সম্পাদক সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। কম অঘোর শিকদার, কম স্বপন ভারতী, কম সুলগ্না বাসু, কম অসিত পাল ও কম লোকনাথ ঘোষ সম্মেলনের সাফল্য কামনা করেন এবং তাদের বক্তব্যে আসন্ন সাধারণ ধর্মঘট সফল করার জন্য কর্মচারীদের কাছে আবেদন জানান । কম সুশান্ত ঘোষ দস্তিদার ও কম হেরম্ব বিশ্বাস সম্পাদকীয় প্রতিবেদন এর উপরে বক্তব্য রাখেন। সম্পাদকীয় প্রতিবেদন ও অডিটেড অ্যাকাউন্টস সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। এই সভা থেকে কম শিশির রায়, কম বন্দনা ঘোষ সরকার ও কম ওকিল কুমার রায় যথাক্রমে সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধক্ষ নির্বাচিত হন। সভাপতি কে ধন্যবাদ জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা হয়। 

 
[19th Dec 2019]

বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত 

 

১৮ই  ডিসেম্বর ২০১৯তারিখে অনুষ্ঠিত BSNL কো অর্ডিনেশন কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতেই প্রয়াত কমরেড স্মৃতিকা বোসের স্মরণে শোক প্রকাশ করা হয়। এই সভায় আগামী ৮ জানুয়ারি ২০২০ তারিখে নির্দিষ্ট সর্বভারতীয় ধর্মঘট এ করনিয় সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনার পর স্থির হয় যে, ধর্মঘটের ওপর পোষ্টার ও লিফলেট প্রকাশ করা হবে। সার্কেল গুলি মূল্যের বিনিময়ে সংগ্রহ করবে। ২০ ডিসেম্বর সবকটি সার্কেলে ধর্মঘটের নোটিশ প্রশাসনকে দেওয়া হবে। ঐদিন ডালহৌসির বেংগল চেম্বার অফ কমার্সের সামনে পথসভায় যোগ দিতে হবে বিকেল ৪ টেয়। ৩ জানুয়ারি কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন গুলির আহবানে মিছিল হবে বিকেলে। এছাড়া ২ তারিখে পেনসনারদের যুক্তমঞ্চের ডাকে বিকেল তিনটেয় মিছিল হবে লেনিন মূর্তির কাছ থেকে মৌলালি পর্যন্ত। এই মিছিলগুলিতে অংশ নিতে হবে। এছাড়া ৪ টি গেট মিটিং সংগঠিত করতে হবে তিনটি সার্কেল দপ্তরে এবং রাণীগঞ্জ কোল হাউসে ষ্টোর্ষের দপ্তরে। কলকাতা টেলিফোন্সে এই মিটিং হবে ২৭ ডিসেম্বর। টেলিকম ফ্যাক্টরি তে হবে ৬ জানুয়ারি। অন্য দুটির তারিখ সংশ্লিষ্ট সংগঠন ঠিক করবে। এদিনের সভায় কন্ট্রাক্ট কর্মীদের বেতন ও চাকরির শর্তাদি সম্পর্কে ম্যানেজমেন্ট এর ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। স্থির হয় আইনিপদক্ষেপ এর পাশাপাশি আন্দোলনএর কর্মসূচিও নিতে হবে। ৷ VRS পরবর্তী সময়ে এ বিষয়ে পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

 ধর্মঘটের প্রচারে NRC ও CAAর বিরুদ্ধে প্রচার করতে হবে। 

 
[13th Dec 2019]

শোক সংবাদ 

 

প্রাক্তন সভাপতি, এআইটিইইউ  ক্লাস থ্রি এবং যুগ্ম কনভেনর, ওয়ার্কিং ওমেন গ্রুপ, কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের সংগঠন সমূহের কো-অর্ডিনেশন কমিটি, পশ্চিমবঙ্গ কম স্মৃতিকা বোস গতকাল সকাল ৭-৪৫ মিনিটে প্রয়াত হন। বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর পক্ষ থেকে তার পরিবারকে আন্তরিক সমবেদনা জানান হচ্ছে। 

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA