15th Aug 2019: আসন্ন অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন ,

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন এ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কে পুনরায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Prabir Kumar Dutta
( President )

Com. Sisir Kumar Roy
( Secretary )

Com. Debasis Dey
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 18th Jul 2021
 
[18th Jul 2021]

বিএসএনএল ইইউ, এআইবিডিপিএ এবং সিটিটিএমইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল  এর যৌথ কনভেনশন এবং কম কে জি বসুর জন্ম শতবার্ষিকী সমাপ্তি অনুষ্ঠান

 

আজ কলকাতার বিশ্বনাথ দে চৌধুরী সভাঘরে বিএসএনএল ইইউ, এআইবিডিপিএ এবং সিটিটিএমইউ কলকাতা টেলিফোনের তিনটি সার্কেল ইউনিয়নের কর্মকর্তারা একটি যৌথ কনভেনশনে মিলিত হন অল ইন্ডিয়া ইউনিয়নের গাইডলাইন অনুযায়ী কলকাতা টেলিফোনে কো অর্ডিনেশন কমিটি গড়ার লক্ষ্যে। এই কনভেনশনে সভাপতি মন্ডলীর দায়িত্বে ছিলেন কমরেড সুপ্রিয় মিত্র, কমরেড প্রবীর দত্ত এবং কমরেড জয়ন্ত ঘোষ।

     সম্মেলন উদ্বোধন করেন পশ্চিমবঙ্গ বি এস এন এল কো অর্ডিনেশন কমিটির সম্পাদক কম ওমপ্রকাশ সিং।

তিনি তার ভাষণে জন্মলগ্ন থেকেই বিএসএনএল এর সাথে কেন্দ্রীয় সরকার যে বিমাতৃ সুলভ আচরণ করে চলেছেন বিভিন্ন উদাহরণ সহকারে তা তুলে ধরেন এবং একমাত্র আন্দোলনের মধ্য দিয়েই যে সরকারের জনবিরোধী নীতিকে পরাস্ত করা সম্ভব তা বলেন।

     কনভেনশনে মূল প্রস্তাব উত্থাপন করেন এ আইবিডিপিএ সার্কেল সম্পাদক কমরেড সঞ্জীব ব্যানার্জী। মূল প্রস্তাবে বিএসএনএল কে এখনো 4G না দেওয়া, বেতন রিভিশন ও পেনশন রিভিশন এখনো লাগু না করা ,ডি এ ফ্রিজ মেডিকেলের বকেয়া এই সমস্ত বিষয় তুলে ধরে আগামী দিনে যৌথভাবে সরকার ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলনের আহবান জানানো হয়।

  প্রস্তাবের সমর্থনে বক্তব্য রাখেন বিএসএনএল ইইউ সম্পাদক কমরেড শিশির রায়। তিনি সরকারের ক্রমবর্ধমান আক্রমনের বিরুদ্ধে এই কো অর্ডিনেশন কমিটির আগামী দিনের ভূমিকা সম্পর্কে সকলকে অবহিত করেন। এবং একে শক্তিশালী করার জন্য প্রত্যেককে আহ্বান জানান।

    প্রস্তাবের উপর আলোচনা করেন কমরেড মিহির দাশগুপ্ত, কমরেড আশু সেন, কমরেড দুলাল সাহা, কমরেড, বিশ্বজিৎ শীল, কমরেড প্রদীপ্ত ঘোষ এবং তাপস ব্যানার্জী। 

  কনভেনশন থেকে দশজনের একটি কমিটি গঠিত হয়। সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন কমরেড সঞ্জীব ব্যানার্জী, কনভেনর নির্বাচিত হয়েছেন কমরেড শিশির রায় এবং যুগ্ম কনভেনর নির্বাচিত হয়েছেন কমরেড তাপস ব্যানার্জী।

  কনভেনশন শেষে কমরেড কেজি বসুর জন্ম শতবর্ষ সমাপ্তি উপলক্ষে একটি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়। একমাত্র বক্তা ছিলেন সিআইটিইউ কলকাতা জিলা সম্পাদক কমরেড দেবাঞ্জন চক্রবর্তী। আলোচনার বিষয় ছিল "" আর এস এস পরিচালিত বিজেপি সরকার প্রণীত " শ্রম দাসত্বের শ্রম কোড"। তার দীর্ঘ ভাষণে কমরেড চক্রবর্তী বর্তমান সরকার কি ভাবে শুধুমাত্র কর্পোরেটদের স্বার্থ রক্ষায় কিভাবে শ্রমিক কর্মচারীদের সমস্ত অর্জিত অধিকার কি ভাবে এই নতুন শ্রম আইনের মধ্য দিয়ে কেড়ে নিতে চাইছে তা ব্যাখ্যা করেন। তিনি সমস্ত শ্রমজীবী মানুষকে জড় করে এর বিরুদ্ধে আগামী দিনে তীব্র লড়াই গড়ে তুলতে হবে।

 
[11th Jul 2021]

"ইয়েস ঝড়ে চরম ক্ষতিগ্রস্থ" মানুষদের পাশে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে সাগরে হাজির বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও অল ইন্ডিয়া বিএসএনএল ডট পেনশনার অ্যাসোসিয়েশন

 

ইয়েস ঝড়ে চরম ক্ষতিগ্রস্থ 100 টি পরিবারের হাতে কিছু খাদ্য সামগ্রী ও শাড়ি তুলে দেয় বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও অল ইন্ডিয়া বিএসএনএল ডট পেনশনার অ্যাসোসিয়েশন, কলকাতা টেলিফোন সার্কেল যৌথভাবে । সংগঠণের পক্ষ থেকে বামনখলি, সাগর,দক্ষিণ ২৪ পরগণাতে, এই শিবিরে উপস্থিত ছিলেন কমরেড শিশির কুমার রায়, স্বপন ভারতী, সু কান্তি মুখার্জি, দেবাশিস দে, জয়ন্ত ঘোষ, সুব্রত ঘোষ, সংকর নেপাল, নির্মাল্য গাঙ্গুলি, কমরেড মনীষা বিশ্বাস, কেয়া কর্মকার, ও কমরেড তাপস ব্যানার্জি।

 
[11th Jul 2021]

তৃতীয় বেতন সংশোধন - প্রকৃত ঘটনা ও রটনা

 

কিছু ক্ষতিকর মানুষ ক্রমাগত রটিয়ে চলেছে যে তৃতীয় বেতন সংশোধন কেবলমাত্র বিএসএনএলইইউ এর জন্যই সমাধান করা যাচ্ছে না। তারা এই রকম মিথ্যা কথা রটাচ্ছে যে ডিওটি বেতন সংশোধন এর জন্য ৫% ফিটমেন্ট দিতে রাজি ছিল কিন্তু কম পি অভিমন্যু, সাধারণ সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ তা নাকচ করে দেন। বিএসএনএলইইউ এর চরিত্র হনন এর উদ্দেশ্যে এই ধরনের রটনা ছড়ানো হচ্ছে। তাই এই সমস্ত মিথ্যাবাদীদের মুখোশ খুলে দেওয়ার জন্য এই নীচের ঘটনা গুলি দেওয়া হল, 

১) মাননীয় মন্ত্রী শ্রী মনোজ সিনহা ১৫% ফিটমেন্ট বাতিল করে দেন-

গত ০৩/১২/২০১৮, তৎকালীন যোগাযোগ মন্ত্রী শ্রী মনোজ সিনহা এর সাথে এইউএবি নেতৃত্বের একটি সভা হয়। সেই সভায় মাননীয় মন্ত্রী, ক্যাবিনেট অনুমোদন দেবে না এই অজুহাতে এইউএবি এর ১৫% ফিটমেন্ট এর দাবি বাতিল করেন। তিনি এইউএবি নেতৃত্ব কে প্রস্তাব দেন যে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ এবং ডিওটি অপেক্ষাকৃত কম ফিটমেন্ট এ যাতে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। 

২) শ্রী অংশু প্রকাশ, অতিরিক্ত সেক্রেটারি, তার ৫% ফিটমেন্ট এর প্রস্তাব তুলে নেন -

গত ৩০/০১/২০১৯, একটি সভা হয় তৎকালীন অতিরিক্ত সচিব, ডিওটি, শ্রী অংশু প্রকাশ এবং এইউএবি নেতৃত্ব এর মধ্যে। সেই সভায় শ্রী অংশু প্রকাশ এইউএবি নেতৃত্বকে ৫% ফিটমেন্ট প্রস্তাব করেন। এইউএবি নেতৃত্ব সর্বসম্মতিক্রমে এই প্রস্তাব মেনে নেন। কিন্তু পরদিন শ্রী অংশু প্রকাশ ডিগবাজী দিয়ে তার প্রস্তাব ৫% ফিটমেন্ট তুলে নেন। 

৩) এইউএবি নেতৃত্ব গত ১৮/০২/২০১৯ থেকে তিন দিনের ধর্মঘটের নোটিশ দেন -

গত ১৩/০২/২০১৯ তৎকালীন সিএমডি , বিএসএনএল এইউএবি নেতৃত্ব এর সাথে দেখা করেন এবং নিম্নলিখিত প্রস্তাব দেন, 

ক) এইউএবি নেতৃত্ব এই ধর্মঘটের নোটিশ প্রত্যাহার করুন। 

খ)ধর্মঘটের নোটিশ প্রত্যাহার হলে, মাননীয় মন্ত্রী বেতন সংশোধন ৫% ফিটমেন্ট দিয়ে সমাধান করতে চেষ্টা করবেন। 

এইউএবি নেতৃত্ব এই প্রস্তাব মেনে নেন। যদিও তারা অনুরোধ করেন যে ডিওটি এই প্রস্তাব লিখিত আকারে দিক। কিন্তু ডিওটি কোনো রকম আশ্বাস লিখিত দিতে রাজি হয় নি। তাই এইউএবি এর অন্তর্গত সমস্ত সাধারণ সম্পাদকেরা সর্বসম্মতিক্রমে ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

 

বিএসএনএলইইউ, এনএফটিই, এসএনইএ, এআইবিএসএনএলইএ এবং এআইজিইটিওএ এর সাধারণ সম্পাদকগণ এই সভাগুলোতে উপস্থিত ছিলেন। সমস্ত সাধারণ সম্পাদকেরা সর্বসম্মতিক্রমে এই সমস্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তাহলে বিএসএনএলইইউ কে কালিমালিপ্ত করা হচ্ছে কেন? 

 

এই উপরোক্ত ঘটনা গুলো যারা বিএসএনএলইইউ এর বিরুদ্ধে মিথ্যা কথা রটাচ্ছে তাদের মুখোশ খুলে দেবে। 

শিশির কুমার রায়, সার্কেল সম্পাদক

 
[11th Jul 2021]

এইউএবি এর দাবি সনদ :-

 

১) অবিলম্বে বিটিএসগুলির উন্নতি সাধন করে ৪জি পরিষেবা চালু করতে হবে এবং ৫জি পরিষেবা চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

২) অবিলম্বে জুন, ২০২১ এর বেতন প্রদান করতে হবে এবং প্রতি মাসের শেষ দিনে ঐ মাসের বেতন দিতে হবে। 

৩) অর্থ মন্ত্রক / কেন্দ্রীয় সরকার এর পরিকল্পনা অনুযায়ী বিএসএনএল এর টাওয়ার এবং অপ্টিকাল ফাইবার নেটওয়ার্ক বিক্রি করা চলবে না। 

৪) অবিলম্বে ডিওটি কে বিএসএনএল এর প্রাপ্য ৩৯০০০ কোটি টাকা প্রদান করার ব্যবস্থা করতে হবে। 

৫) বিএসএনএল এর জমি বিক্রি করে বকেয়া ঋণ পরিশোধ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

৬) ক্লাস্টার বেসড আউটসোর্সিং প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ পর্যালোচনা করতে হবে। 

৭) অবিলম্বে তৃতীয় বেতন সংশোধন, পেনশন সংশোধন, বিএসএনএল এ নিযুক্ত কর্মচারীদের অবসরকালীন সুযোগ সুবিধা ৩০%এ বৃদ্ধি করতে হবে। 

৮) বিএসএনএল এর এফটিটিএইচ পরিষেবার গুনগত মান বৃদ্ধির জন্য দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। 

৯) বিটিএস গুলির রক্ষণাবেক্ষণ, পাওয়ার প্ল্যান্ট গুলি যথাযথ দেখভাল, এর সঙ্গে ব্যাটারির সহজলভ্যতার ব্যবস্থা করতে হবে। 

১০) ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক কে শক্তিশালী করতে হবে। 

শিশির কুমার রায়, সার্কেল সম্পাদক

 
[1st Jul 2021]

কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর বিএসএনএলইইউ, এআইবিডিপিএ ও সিটিটিএমইউ এর মিলিত সভা

 

সরকারের রাষ্ট্রায়ত্ব শিল্প বিক্রি করা এবং শ্রমিক বিরোধী নীতির কারণে দেশ ব্যাপী প্রায় ৮০ হাজার কর্মী ভি আর এস এর মাধ্যমে এবং আউট সোর্সিং এর নামে প্রায় ৭০ হাজার ঠিকা মজদুর ছাঁটাই করা হয়েছে বি এস এন এল দপ্তরে ২০২০ সালে। এর ফলে ইউনিয়নের সাংগঠনিক শক্তি ভীষণভাবে ক্ষয় হয়েছে। পাশাপাশি সরকারের আক্রমণ দারুণভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। মাসের বেতন প্রতিমাসে হচ্ছে না। নতুন নতুন আক্রমণ কর্মচারীদের জীবনকে দুর্বিসহ করে তুলেছে। তাই এই আক্রমণের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা সময়ের চাহিদা। তার জন্য চাই শ্রেণী সচেতন সংগঠণ। সেই লক্ষে চেন্নাই সি ই সি মিটিং থেকে জাতীয়স্তরে , সার্কেল ও জেলাস্তরে সমন্বয় কমিটি গঠন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ইতোমধ্যে জাতীয় ক্ষেত্রে এই সংগঠন গঠিত হয়েছে।

কলকাতা টেলিফোন সার্কেল এ ২৬ জুন, ২০২১, শনিবার, ভার্চুয়াল মাধ্যমে তিনটি সার্কেল ইউনিয়ন বি এস এন এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, অল ইন্ডিয়া বি এস এন এল ডট পেনশনার অ্যাসোসিয়েশন ও কলকাতা টেলিফোন ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন এর সভাপতি, সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ কে নিয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় উপস্থিত হন কমরেড প্রবীর কুমার দত্ত, সার্কেল সভাপতি, শিশির কুমার রায়, সার্কেল সম্পাদক ও দেবাশিস দে, কোষাধ্যক্ষ, বি এস এন এল ই ইউ। কমরেড সুপ্রিয় মিত্র, সভাপতি, সঞ্জীব ব্যানারজি, সার্কেল সম্পাদক, পরেশ মোহন দাস, কোষাধ্যক্ষ, এ আই বি ডি পি এ। কমরেড জয়ন্ত ঘোষ, সহ সভাপতি, তাপস ব্যানার্জী, কার্যকরী সার্কেল সম্পাদক, সি টি টি এম ইউ।

এই সভা পরিচালনা করেন প্রবীণ নেতা কমরেড সুপ্রিয় মিত্র। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সভা শুরু করা হয়। কেন এই সময় সার্কেল স্তরে সমন্বয় কমিটি গঠন করা দরকার তা কমরেড শিশির কুমার রায় ব্যাখ্যা করেন। এরপর সভায় উপস্থিত সকল সদস্য নিজ নিজ সংগঠনের দাবিগুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করা হয়।

 

১) লক ডাউন ওঠার পর এক কনভেনশন এর মধ্য দিয়ে তিনটি সার্কেল ইউনিয়ন এর কর্মসমিতির সদস্যদের নিয়ে বি এস এন এল সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে লড়াই সংগ্রামের স্বার্থে।

২) এই কনভেনশন পরিচালনা করবেন তিনটি সার্কেল ইউনিয়ন এর সভাপতি তিন জনকে নিয়ে গঠিত সভাপতি মণ্ডলী।

৩) ছুটির দিনে এই কনভেনশন সংগঠিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আগামী ১১ অথবা ১৮ জুলাই, ২০২১ রবিবার বিশ্বনাথ দে চৌধুরী সভাঘরে।

৪) কমরেড ওমপ্রকাশ সিং, সাধারণ সম্পাদক, রাজ্য কমিটি, বি এস এন এল সি সি, এই কনভেনশন উদ্বোধন করবেন।

৫) সংগঠনগুলি এই কনভেনশন এর ব্যয় বহন করবে।

৬) ৩টি সার্কেল ইউনিয়নের সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ দের নিয়ে একটি কমিটি এই কনভেনশন এর আয়োজন করবেন।

৭) এই বিষয়ে কনভেনশনের আগে আর একদিন সম্ভবত ৩০ জুন আর একটি ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হবে।

 

অভিনন্দন সহ,

শিশির কুমার রায়, 

সার্কেল সম্পাদক, 

বি এস এন এল ই ইউ।

সঞ্জীব ব্যানার্জী, 

সার্কেল সম্পাদক,

 এ আই বি ডি পি এ

তাপস ব্যানার্জী ,

কার্যকরী সার্কেল সম্পাদক,

 সি টি টি এম ইউ।

 
[19th Nov 2020]

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 

আমরা বিএসএনএল এর আটটি ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশন, বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (বিএসএনএলইইউ), ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ টেলিকম এমপ্লয়িজ বিএসএনএল (এনএফটিই বিএসএনএল), ন্যাশনাল ইউনিয়ন অফ বিএসএনএল ওয়ার্কার্স এফএনটিও (এনইউবিএসএনএলডব্লিউ এফএনটিও), বিএসএনএল মজদুর সংঘ (বিএসএনএল এমএস), সঞ্চার নিগম অ্যাসোসিয়েশন অব টিবিএস (এসএনএটিটিএ), বিএসএনএল অ্যাসোসিয়েশন অব টেলিকম মেকানিক্স (বিএসএনএল এটিএম), টেলিকম এমপ্লয়িজ প্রোগ্রেসিভ ইউনিয়ন (টিইপিইউ) ও বিএসএনএল অফিসারস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএনএল ওএ) আগামী ২৬ নভেম্বর, ২০২০ এর সাধারণ ধর্মঘটে যুক্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ৭ দফা দাবির সঙ্গে বিএসএনএল এর ১০ দফা দাবি আদায়ের জন্য আমরা এই ধর্মঘটে যুক্ত হয়েছি। 

বিএসএনএল এর আর্থিক পুনরুদ্ধার এখনও সুদূর স্বপ্ন, যেহেতু কেন্দ্রীয় সরকারের এই বিষয়ে কোন আন্তরিক পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। শুধু তাই নয়, বিএসএনএল এর ৪জি পরিষেবা চালু করার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার বাধার সৃষ্টি করছেন। এটা সবাই জানেন যে বিএসএনএল এর ৫০০০০ ৪জি বিটিএস এর যন্ত্রাংশ কেনার টেন্ডার বাতিল করতে কেন্দ্রীয় সরকার বাধ্য করে ছিলেন। টেন্ডার বাতিল করার কারণ হিসেবে বলা হয় যে ভারতীয় নির্মাতারা এই টেন্ডারের নিয়মাবলীর জন্য অংশগ্রহণ করতে পারেন নি। যদিও টেন্ডার বাতিল হওয়ার পাঁচ মাস পার হয়ে গেলেও কেন্দ্রীয় সরকার এখনও জানাতে পারলেন না কোন ভারতীয় নির্মাতা বিএসএনএল এর ৪জি পরিষেবার চালু করার জন্য উপযুক্ত। 

 অন্য দিকে ডিওটি নিযুক্ত কমিটি বারবার নির্দেশ দিচ্ছে যে বিএসএনএল এর ৪জি পরিষেবা "সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর' এর মাধ্যমে চালু করা উচিত। সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর এর কাজ হলো ৪জি পরিষেবা প্রদান করতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও সফ্টওয়্যার যোগার করে সেগুলো একত্রিত করা। সেইজন্য বিশেষজ্ঞদের মতে সিস্টেম ইন্টিগ্রেটর এর মাধ্যমে চালু পরিষেবা ব্যয় বহুল ও প্রযুক্তিগত ভাবে নিম্নমানের। সেই কারণে যে সকল বেসরকারি কোম্পানি ৪জি পরিষেবা চালু করেছে তারা একটি কোম্পানির সাথে নেটওয়ার্ক প্রতিস্থাপন ও তা রক্ষণাবেক্ষণ করার জন্য চুক্তি করে। 

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, ভারতীয় নির্মাতাদের ৪জি পরিষেবা চালু করার বিষয়টি এখনও পরীক্ষিত নয়। যখন বেসরকারি কোম্পানিগুলি আন্তর্জাতিক নির্মাতাদের কাছ থেকে বিশ্বমানের যন্ত্রাংশ এর সাহায্যে ৪জি পরিষেবা প্রদান করছে, তখন এটা কোটি টাকার প্রশ্ন কেন কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএনএল কে ৪জি পরিষেবা চালু করার জন্য ভারতীয় নির্মাতাদের অপরীক্ষিত যন্ত্রাংশ ব্যবহার করতে বাধ্য করছেন। এটি বিএসএনএল কে কেবল অসম প্রতিযোগিতার মুখোমুখি ফেলবে তাই নয় এই সংস্থাটির ডানা বেঁধে ফেলার জন্য একটি চক্রান্ত। 

বেসরকারি কোম্পানি এয়ারটেল ও ভোডাফোন-আইডিয়া, তাদের ৪জি পরিষেবা ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি ব্যবহার করেও রিলায়েন্স জিও এর প্রতিযোগিতায় প্রতি মাসে লক্ষ গ্রাহক হারাচ্ছে। সেখানে বিএসএনএল ২জি ও ৩জি পরিষেবা প্রদান করেই জুলাই মাসে ৩.৮৮ লক্ষ নতুন গ্রাহক সংগ্রহ করে। এর থেকে এটা প্রমাণিত হয় যে মুকেশ আম্বানির টেলিকম ক্ষেত্রে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার এর বিরুদ্ধে বিএসএনএল প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। ঠিক এই কারণে বিএসএনএল এর ৪জি পরিষেবা চালু করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হচ্ছে। সেই জন্য আমরা দাবি করছি অবিলম্বে বিএসএনএল এর ৪জি পরিষেবা চালু করার ক্ষেত্রে সমস্ত প্রতিবন্ধকতাকে সরাতে হবে। আমরা আরও দাবি জানাচ্ছি, বিএসএনএল কে বেসরকারি কোম্পানিগুলির মতো যন্ত্রাংশ কেনার ক্ষেত্রে সমান সুবিধা প্রদান করতে হবে। এছাড়াও আমাদের ১০ দফা দাবি সনদের বাকি দাবিগুলোর সমাধানের দাবি জানাচ্ছি। 

কেন্দ্রীয় সরকারের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণ করার নীতির একটি অংশ বিএসএনএল কে বেসরকারিকরণ করার চক্রান্ত এ সমন্ধে কোনো দ্বিধা নেই। কেন্দ্রীয় সরকার দ্রুততার সাথে রেলওয়ে, প্রতিরক্ষা, অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি, বিপিসিএল, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, এলআইসি, কয়লা খনি ইত্যাদি বেসরকারিকরণ করার চেষ্টা করছেন। আমরা বিএসএনএল এর আটটি ট্রেড ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশন কেন্দ্রীয় সরকারের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণ করার প্রচেষ্টার তীব্র বিরোধিতা করছি। আমরাও কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নসমূহের সাত দফা দাবি আদায়ের জন্য যুক্ত আছি, এই দাবিগুলোর মধ্যে আয়কর দেন না এমন পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ৭৫০০ টাকা প্রদান, মালিক অনুসারী ও কর্মচারী বিরোধী লেবার কোড প্রত্যাহার, কর্পোরেট অনুসারী কৃষি বিল বাতিল, কেন্দ্রীয় সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় অবসরের বয়সের আগে কর্মীদের অবসর গ্রহণের অধ্যাদেশ বাতিল ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। 

আমরা বিএসএনএল এর আটটি ট্রেড ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশন বিএসএনএল এর সকল স্তরের কর্মচারীদের কাছে আগামী ২৬ নভেম্বর,২০২০ এর সাধারণ ধর্মঘট সফল করার জন্য আবেদন জানাচ্ছি। আমরা সাধারণ জনগণ ও সমস্ত প্রকার সংবাদ মাধ্যমের কাছে আমাদের যুক্তিপূর্ণ সংগ্রামে সহযোগিতা করার আবেদন করছি। 

বিএসএনএল এর দাবি সনদ

১) অবিলম্বে বিএসএনএল এর ৪জি পরিষেবা চালু করতে হবে। বেসরকারি কোম্পানিগুলির সঙ্গে যন্ত্রাংশ কেনার ব্যাপারে কোনো পক্ষপাতিত্ব করা চলবে না। 

২) তৃতীয় বেতন চুক্তি সম্পন্ন করতে হবে। 

৩) কাজের আউটসোর্সিং এর নামে ঠিকানা কর্মচারীদের ছাঁটাই করা চলবে না। ছাঁটাই হওয়া কর্মচারীদের অবিলম্বে নিয়োগ করতে হবে। ঠিকা কর্মচারীদের বকেয়া বেতন প্রদান করতে হবে। 

৪) ০১/০১/২০১৭ পেনশন সংশোধন করতে হবে। 

৫) নন-এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের জন্য নতুন পদোন্নতির ব্যবস্থা চালু করতে হবে। 

৬) অবিলম্বে জেটিও, জেএও, জেই ও টিটি পদে উন্নীত করার জন্য এলআইসিই নিতে হবে। 

৭) কোভিড১৯ এর আক্রমণে মৃত কর্মচারীদের ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপুরণের বন্দোবস্ত করতে হবে। নিখরচায় হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে। 

৮) নন-এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের জন্য গ্রুপ টার্ম ইনসিওরেন্স এর ব্যবস্থা করতে হবে। 

৯) বিএসএনএল এ নিযুক্ত কর্মচারীদের ৩০ শতাংশ অবসরকালীন সুবিধা প্রদান করতে হবে। 

১০) ক্যাজুয়াল কর্মচারীদের বেতন সংশোধন করতে হবে। 

কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির দাবি সনদ

১) আয়কর দেন না এমন পরিবারগুলিকে প্রতি মাসে ৭৫০০ টাকা প্রদান। 

২) প্রতিটি দুস্থ পরিবারকে মাথা পিছু প্রতি মাসে ১০ কেজি করে খাদ্য শষ্য দিতে হবে। 

৩) এমজিএনরেগা এর কাজের দিন বাড়িয়ে ২০০ দিন, এই প্রকল্পের মজুরি বৃদ্ধি এবং শহর এলাকায় এই প্রকল্পের কাজের পরিধি বাড়াতে হবে। 

8) সমস্ত কৃষক বিরোধী আইন ও শ্রমিক বিরোধী লেবার কোড বাতিল করতে হবে। 

৫) আর্থিক প্রতিষ্ঠান সহ সমস্ত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার বেসরকারিকরণ, কেন্দ্রীয় সরকার অধিকৃত নির্মাণ ও পরিষেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলি যেমন রেলওয়ে, অর্ডন্যান্স ফ্যাক্টরি, পোর্ট ইত্যাদি সংস্থাকে বেসরকারিকরণ বন্ধ করতে হবে। 

৬) কেন্দ্রীয় সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থায় অবসরের বয়স হওয়ার আগেই অবসরের দানবীয় নিয়ম বাতিল করতে হবে। 

৭) সকলের জন্য পেনশন এর ব্যবস্থা, এনপিএস বাতিল ও ইপিএস ৯৫ কে উন্নত করে পুরোনো পেনশন ব্যবস্থা চালু করতে হবে। 

 
[14th Nov 2020]

শোক প্রকাশ

 

টেলিফোন তথা কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারী আন্দোলনের প্রবীণ নেতা কমরেড পরিতোষ বোস গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় হসপিটালে ভর্তি ছিলেন। তিনি করোনা-১৯ ভাইরাস আক্রান্ত হয়েছিলেন। রাত ১টা ৪৫ মিনিটে তিনি আমাদের ছেড়ে চলে গেলেন। তার অমলিন স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছে এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে বি এস এন এল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন। কমরেড পরিতোষ বোস অমর রহে।

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA