15th Aug 2019: আসন্ন অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন ,

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন এ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কে পুনরায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Sisir Kumar Roy
( President )

Com. Shankar Keshar Nepal
( Secretary )

Com. Jayanta Ghosh
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 23rd Jan 2022
 
[27th Sep 2020]

  কালো দিবস পালন করার ব্যাজ

 
 
[23rd Sep 2020]

বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন

 

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন সমূহ, ১২ জুলাই কমিটি, ব্যাঙ্ক, বীমা, বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ এর ডাকে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নীতি ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বেসরকারিকরণ নীতি সহ ৩৫ দফা দাবিতে বেলা ১টায় নিজাম প্যালেস এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়। বিএসএনএল কোঅর্ডিনেশন কমিটির নেতৃত্বে কলকাতা টেলিফোন্স, পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল, টেলিকম স্টোর্স ও টেলিকম ফ্যাক্টরির কর্মচারীরা এই কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।

 
[27th Aug 2020]

আমাদের বুঝতে হবে কেন বিএসএনএল কে ৪জি পরিষেবা প্রদান করার ক্ষেত্রে চক্রান্ত হচ্ছে? 

 

এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের সকলকে বিএসএনএল কে ৪জি পরিষেবা প্রদান করার বিষয়ে যে চক্রান্ত চলছে তা বুঝতে হবে। 

ট্রাই এর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত মে ২০২০ এয়ারটেল ও ভোডাফোন-আইডিয়া তাদের ৪৭ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছে। এই সময়ে রিলায়েন্স জিও ৩৬ লক্ষ ও বিএসএনএল ২ লক্ষ নতুন গ্রাহক সংখ্যা যোগ দেন। 

এয়ারটেল ও ভোডাফোন-আইডিয়ার গ্রাহক সংখ্যা ব্যাপক হারে হ্রাস পাচ্ছে। অন্যদিকে বিএসএনএল এই সময়েও নিজের গ্রাহক সংখ্যা ধরে রাখার সঙ্গে সঙ্গে ২ লক্ষ নতুন গ্রাহক যুক্ত করেছে। যদিও এই বৃদ্ধি খুব সামান্য তবে মনে রাখতে হবে ৪জি পরিষেবা চালু করা না সত্ত্বেও এই ২ লক্ষ নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছে। 

বিএসএনএল যদি ৪জি পরিষেবা প্রদান করত তবে এই গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি কত হতো তা অনুমানের বিষয়। তবে নিশ্চিত ভাবে রিলায়েন্স জিও কে কঠিন প্রতিযোগিতার সম্মুখীন করত। বিএসএনএল কে ৪জি পরিষেবা প্রদান করার ব্যাপারে বিভিন্ন চক্রান্তের এটা একটা অন্যতম কারণ। বিএসএনএল এর সমস্ত ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলির প্রধান দায়িত্ব ৪জি পরিষেবা আদায়ের জন্য আন্দোলন শুরু করা ও তা আদায় করা। 

 
[21st Aug 2020]

 সিআইটিইউ নেতৃত্বের সাথে বিএসএনএল দপ্তরের জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের নিয়ে সভা

 

সিআইটিইউ, সিটিটিএমইউ ও বিএসএনএলসিসিডব্লুএফ এর একটি সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ১৮ আগষ্ট, ২০২০ শ্রমিক ভবনে। সিআইটিইউ এর পক্ষে কম সুভাষ মুখোপাধ্যায়, সভাপতি, কম দীপক দাসগুপ্ত, সহসভাপতি ও কম দেবাঞ্জন চক্রবর্তী, সম্পাদক, কলকাতা জেলা, সিটিটিএমইউ এর পক্ষে কম শিশির কুমার রায়, সার্কেল সভাপতি, কম তাপস ব্যানার্জী, সহসভাপতি, কম অরূপ সরকার, সম্পাদক, কম সন্তোষ কুমার, সহসম্পাদক ও কম গোপাল পাল, কোষাধ্যক্ষ এবং বিএসএনএলসিসিডব্লুএফ এর পক্ষে কম অনিমেষ মিত্র, সাধারণ সম্পাদক ও কম তাপস ঘোষ, কার্যকরী সভাপতি অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কম দীপক দাসগুপ্ত। কম অনিমেষ মিত্র সারা দেশের জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের বর্তমান অবস্থা এবং কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে বকেয়া বেতন, পূর্বতন জব কন্ট্রাক্ট লেবার এর বদলে এসএলএ সিস্টেমের প্রচলন, কর্মী ছাটাই এবং বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ ও মোদী সরকার বিগত দুই বছর ধরে যে কর্মচারী বিরোধী নীতি চালু করার চেষ্টা করে চলেছে তা ব্যাখ্যা করেন। কম অরূপ সরকার, কম তাপস ব্যানার্জী, কম গোপন পাল ও কম সন্তোষ কুমারবিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেন। কম শিশির কুমার রায় বলেন ছাটাই, এসএলএ আউট সোর্সিং এর বিরুদ্ধে ও বকেয়া বেতন আদায়ের জন্য সমস্ত রকম আন্দোলন কর্মসূচি গ্রহণ করা সত্ত্বেও মোদী সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ফলে গত দুই বছরে কোনো কর্মসূচি সাফল্য অর্জন করতে পারে নি এটাই বাস্তব সত্য। কম দেবাঞ্জন চক্রবর্তী আগামী আন্দোলন কর্মসূচির প্রস্তাব করেন। কম সুভাষ মুখোপাধ্যায় সভার সমাপ্তি ঘোষণার সময় বলেন, 

১) সিআইটিইউ কলকাতা জেলা কমিটি অন্যান্য গণসংগঠনগুলিকে নিয়ে বিএসএনএল দপ্তরের সামনে শীঘ্রই কর্মসূচি পালন করবে দিন, সময় ও স্থান সিটিটিএমইউ পরে জানাবে। 

২) সিআইটিইউ কম বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে কথা বলে হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত নিতে কেন এত দেরি হচ্ছে জানবেন। 

৩) এই কর্মসূচির পর আরেকটি মিটিং সিআইটিইউ দপ্তরে শীঘ্র ডাকা হবে।

 
[30th May 2020]

বিএসএনএল এর জব কন্ট্রাক্ট কর্মচারীদের খাদ্য বস্তু বিতরণ

 

বিএসএনএল এর জব কন্ট্রাক্ট কর্মচারীরা বিগত ১২ মাস ধরে বেতন না পাওয়ার ফলে নিদারুণ আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন। বিএসএনএলইইউ এর সর্বভারতীয় নেতৃত্ব এই জব কন্ট্রাক্ট কর্মচারীদের আর্থিক সহায়তার জন্য "কন্ট্রাক্ট ওয়ার্কার রিলিফ ফান্ড" গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন এই কোভিড১৯ মহামারী পরিস্থিতিতে।

আজ ৩০ মে, ২০২০ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর চীফ জেনারেল ম্যানেজার এর দপ্তর টেলিফোন ভবনে বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর উদ্যোগে ৫৫ জন জব কন্ট্রাক্ট কর্মচারীদের খাদ্য বস্তু বিতরণ করা হয়। এই সভায় কম শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক, কম দেবাশিস দত্ত, সার্কেল কোষাধক্ষ, কম স্বপন ভারতী, জেলা সম্পাদক, প্ল্যানিং, কম সুকান্তি মুখার্জি, জেলা সম্পাদক, সেন্ট্রাল ও কম লোকনাথ ঘোষ, কার্যকরী সম্পাদক, সিটিটিএমইউ উপস্থিত ছিলেন। এই সভায় কম মুন্না রাম, কলকাতা টেলিফোন্স ডিস্ট্রিক্ট কোঅপারেটিভের স্টাফ ইউনিয়ন এর পক্ষে কম শিশির কুমার রায়, সার্কেল সম্পাদক এর হাতে "কন্ট্রাক্ট ওয়ার্কার রিলিফ ফান্ড" এর জন্য ১০০০০ টাকার চেক তুলে দেন।

 
[19th May 2020]

সার্কেল সম্পাদকের আবেদন 

 

প্রতি জেলা সম্পাদকগণ ও সার্কেল অফিস বেয়ারারগণ,

বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ এর ডাকে আগামী ২১ মে, ২০২০ বেলা একটার সময় সিজিএম কলকাতা টেলিফোন্স এর দপ্তরের সামনে মধ্যাহ্ন কালীন বিরতিতে বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠিত হবে। এই সভায় সমস্ত জেলা সম্পাদকদের ও কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর সার্কেল অফিস বেয়ারারদের,  কোভিড১৯ এর মহামারী পরিস্থিতিতে শারীরিক দুরত্ব বজায় রেখে অংশ গ্রহণ করতে অনুরোধ জানান হচ্ছে। লকডাউন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার ও বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ পুঁজিপতিদের হাতে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা বিক্রি, সময় মত কর্মচারীদের বেতন প্রদান বন্ধ, জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের আউট সোর্সিং এর নামে ছাঁটাই ও তাদের বকেয়া বেতন প্রদান না করা এবং কর্মরত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের আউটডোর চিকিৎসার ঊর্ধ্বসীমা ২৩ দিন থেকে কমিয়ে ১৫ দিন করার নির্দেশ জারি করেছে। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ট্রেড ইউনিয়ন হিসেবে কেন্দ্রীয় সরকারের বিএসএনএল তথা সমগ্র রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলা ছাড়া অন্য কোন রাস্তা নেই। আমাদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

শিশির কুমার রায়, সার্কেল সম্পাদক,

বিএসএনএলইইউ, কলকাতা টেলিফোন্স 

 
[19th May 2020]

১৯ শে মে’২০২০ কমরেড মনি বসুর দশম মৃত্যুবার্ষিকী।

 

১৯ শে মে’২০২০ কেন্দ্রীয় সরকারী তথা টেলিকম আন্দোলনের নেতা কমরেড মনি বসুর দশম মৃত্যু বার্ষিকী। ২০১০ সালে এই দিনে তার মৃত্যু হয়েছিলো। কমরেড মনি বসু ১৫ই মে ১৯২৫ সালে অধুনা বাংলাদেশে জন্ম হয়। তার অগ্রজ কমরেড কে জি বসু ১৯৪২ সালে এবং কমরেড মনি বসু ১৯৪৫ সালে ডাক-তার বিভাগে চাকুরীতে প্রবেশ করেন। ১৯৪৬ সালে ঐতিহাসিক ডাক-তার আন্দোলনে অংশগ্রহনের জন্য দু-জনেরই চাকুরীচ্ছেদ ঘটে। তারপর থেকে ডাক-তার আন্দোলনের সংশোধনবাদী নেতৃত্বের বিরুদ্ধে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির বিরুদ্ধে সারা ভারতব্যাপী কর্মচারীদের যুক্ত করে বাম-আন্দোলন-কে বিকশিত করার কাজ আমৃত্য করে গেছেন। বিএসএনএল এমপ্লয়ীজ ইউনিয়ন গঠনের ক্ষেত্রে , বিএসএনএল-ক্যাজুয়াল-ঠিকা কর্মচারীদের সর্বভারতীয় সংগঠন বিএসএনএল ক্যাজুয়াল-কন্ট্রাক্ট ওয়ার্কাস ফেডারেশান গঠনের ক্ষেত্রে তার অগ্রনী ভূমিকা সারা দেশে বিএসএনএল স্থায়ী-অস্থায়ী-অবসর প্রাপ্তদের কাছে শিক্ষনীয় এবং পথ প্রদর্শক। প্রতিবছর এই দিনে বিএসএনএল কো- অর্ডিনেশন কমিটি তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। ২০১৪ সালে বিএসএনএলইইউ-র সর্বভারতীয় সন্মেলন কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়, ওই সময় ইংরেজীতে কমরেড মনি বসুর লেখা সঙ্কলন প্রকাশিত হয় এবং ২০১৭ সালে ১৯ শে মে তার ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী শ্রদ্ধা জ্ঞাপন অনুষ্ঠানে বাংলায় তার লেখা সংকলক বিএসএনএল –কো অর্ডিনেশন কমিটির উদ্যোগে প্রকাশিত হয়। এ বছর ১৯শে মে লকডাউন পরিস্থিতিতে তার বাড়ীতে পরিবারের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানানো হবে। তার স্ত্রী কমরেড জ্যোৎস্না বসু, টেলিকম আন্দোলনের নেত্রী এবং তার পরিবারের প্রতিটি সদস্য / সদস্যার অদম্য উৎসাহে কমরেড মনি বসুর লেখা  সংকলন  প্রকাশ করা গেছে। কমরেড মনি বসু যে নীতি –আদর্শবোধ নিয়ে সারা জীবন সমগ্র কর্মচারী সমাজ-কে উদ্বুদ্ধ করে গেছেন আগামী দিনে সেই পথে চলার শপথ গ্রহন করার দিন ১৯শে মে।

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA