20th Mar 2019: আসন্ন ৫ এপ্রিল সঞ্চার ভবন অভিযান সফল করুন,

Implement 3rd PRC with effect from 01.01.2017.

No tower subsidiary company in BSNL. 

 

3rd Jan 2019: ৮ ও ৯ জানুয়ারি দুদিনের সাধারণ ধর্মঘট সফল করুন ,

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকে আগামী ৮ ও ৯ জানুয়ারি দুদিনের সাধারণ ধর্মঘট এর ডাক দেওয়া হয়েছে । এই ধর্মঘটে বিএসএনএল এর সমস্ত কর্মচারীদের সামিল হওয়ার জন্য বিএসএনএলইইউ আহ্বান জানাচ্ছে। 

 

1st Feb 2019: ৩ দিনের ধর্মঘট ,

অল ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশন অফ বিএসএনএল এর ডাকে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে  তিন দিনের ধর্মঘট সফল করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Prabir Kumar Dutta
( President )

Com. Sisir Kumar Roy
( Secretary )

Com. Debasis Dey
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 17th Apr 2019
 
[11th Apr 2019]

বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করার বিরুদ্ধে ১২ এপ্রিল ২০১৯ দেশ জুড়ে  প্রতিবাদ কর্মসূচি :

 

আজ ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিএসএনএল এর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলি মিলিত ভাবে ভিআরএস চালু করার বিরুদ্ধে আগামীকাল প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করার নোটিশ সিএমডি, বিএসএনএল ও ডিওটি এর সেক্রেটারি কে প্রদান করেন। বিএসএনএলইইউ, এনএফটিই, এআইবিএসএনএলইএ, বিএসএনএল এমএস, বিএসএনএল এটিএম, টিইপিইউ ও বিএসএনএলওএ এর জিএস এই নোটিশে সাক্ষর করেন। তারা আগামীকাল এর বিক্ষোভ সমাবেশ নিম্নলিখিত কারণে সংগঠিত করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন :

ডিওটি ও বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর নামে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প চালু করতে চলেছেন। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে বিএসএনএল বা ডিওটি কেউই এই ব্যাপারে বিএসএনএল এর ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলির সাথে আলোচনা করার প্রয়োজন অনুভব করেন নি যদিও কর্মচারীরা বিএসএনএল এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তাদের অন্ধকারে রেখে তথাকথিত আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় । তাই বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর নামে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প বাস্তবে বাধ্যতামূলক।

বিএসএনএল এর ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশন সমূহ বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায় যে বিএসএনএল এর ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট পলিসির অনুমোদন করার জন্য যাতে এর সাহায্যে উৎপন্ন রাজস্ব বিএসএনএল এর উন্নয়ন ও  আর্থিক পুনরুদ্ধারের কাজে লাগান যায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার সুচতুরভাবে একে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প চালু করার কাজে লাগালেন। বিএসএনএল এর উন্নতি ও আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ড না দেওয়ার জন্য এটি একটি সুচিন্তিত পরিকল্পনা । 

এই বিষয়টি প্রচার করা হচ্ছে যে বিএসএনএল এর কর্মচারী সংখ্যা এর আর্থিক সমস্যার প্রধান কারণ। কিন্তু বাস্তবে এই বিএসএনএলই ২০০৪-০৫ আর্থিক বছরে ১০০০০ কোটি টাকা লাভ করেছিল যখন এর কর্মচারী সংখ্যা আজকের তুলনায় ১.৫ লক্ষ বেশি ছিল । পরবর্তী কালে বিএসএনএল আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয় কারণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কেনার জন্য অনুমোদন না পাওয়ায়। 

রিলায়েন্স জিও এর প্রিডেটরী প্রাইসিং এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে বিএসএনএলকে আজ আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে । রিলায়েন্স জিও এর পরিষেবা চালু করার আগের তিনটি আর্থিক বছরে অর্থাৎ ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ বিএসএনএল অপারেশনাল প্রফিট করেছিল এটি আগের বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করে । এই সমস্যার সমাধান করাই বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর লক্ষ্যে সঠিক পদক্ষেপ । বিএসএনএল এর আর্থিক স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার এর জন্য ভিআরএস সঠিক পথ নয় ।

একটা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে যে ভিআরএস সম্পূর্ণ  কর্মীর ইচ্ছার উপর এব্যাপারে কাউকে বাধ্য করা হবে না। এই কথাটা একটি ভ্রান্ত আশ্বাস। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করছেন যাতে কর্মচারীরা আগামী দিনে সময়মত বেতন পাওয়ার ব্যাপারে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন ফলে তারা ভিআরএস নিতে বাধ্য হবেন। কার্যত প্রস্তাবিত স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প বাধ্যতামূলক অবসর প্রকল্প ছাড়া আর কিছু না । 

বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর লক্ষ্যে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প সঠিক পদক্ষেপ নয়। এর আগে এমটিএনএল এ দুবার ভিআরএস চালু করা হয়েছে । কিন্তু ভিআরএস সংস্থাটির আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে পারে নি এমটিএনএল ঋণে ডুবে আছে । কেন ভিআরএস এমটিএনএল  কে সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারল না?  কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন? কেন্দ্রীয় সরকারের  ভিআরএস এর মূল ধারণা হল কর্মচারী সংখ্যা কমানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেসরকারীকরন এর রাস্তা প্রসস্ত করা । এটা কোন অবস্থাতেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয় ।

আমরা দৃঢ়তার সাথে বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করার বিরোধিতা করছি ও কেন্দ্রীয় সরকার কে তার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকার যদি তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন তবে আগামী দিনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব । 

 
[9th Apr 2019]

সার্কেল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা 

 

আজ ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা দুটায়  টেলিফোন ভবন আরজেসিএম ঘরে একটি জরুরী সভা আয়োজিত হবে । এই সভায় সমস্ত সার্কেল অফিস  বেয়ারার ও ডিস্ট্রিক্ট সম্পাদকগণ কে অংশ গ্রহণ করতে ও নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে। এই সভায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি আলোচিত হবে :

১) কম বিশ্বজিৎ শীল , সহকারী সার্কেল সম্পাদক কে কর্তৃপক্ষের দেওয়া কারণ দর্সানোর নোটিশ প্রদান।

২) ৮ ও ৯ জানুয়ারি দুদিনের বেতন কাটার আদেশ ।

৩) বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে কর্মচারীদের  উপস্থিতি নিরূপন  ।

৪) ৬ ও ৭ এপ্রিল গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত বিএসএনএলইইউ এর সিইসি মিটিং এ গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহ পালন করা ।

 
[4th Apr 2019]

প্রেস বিজ্ঞপ্তি 

 

ভিআরএস বিএসএনএল এর সমস্যার সমাধান নয় - কম পি অভিমন্যু

বিভিন্ন মিডিয়ার রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় ক্যাবিনেট এর সম্মতির জন্য ডিওটি নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন জানাবে। বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (বিএসএনএলইইউ) ডিওটির এই পদক্ষেপের  এর তীব্র বিরোধিতা  করছে ।

ডিওটি জনসাধারণের কাছে তুলে ধরতে চাইছে যে বিএসএনএল এর আর্থিক সমস্যার জন্য এর অতিরিক্ত কর্মী সংখ্যাই দায়ী। কিন্তু বাস্তবে বিএসএনএল কে আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের রিলায়েন্স জিও অনুসারী ও বিএসএনএল বিরোধী নীতিই কেবলমাত্র দায়ী। এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে যে এই বিএসএনএল ২০০৪-০৫ আর্থিক বছরে ১০০০০ কোটি টাকা লাভ করেছিল যখন এর কর্মচারী সংখ্যা আজকের তুলনায় ১ লক্ষ বেশি ছিএল । কাজেই মূল সমস্যা বিএসএনএল এর কর্মী সংখ্যা নয়। 

প্রকৃত পক্ষে বিএসএনএল এই সমস্যা কাটিয়ে ২০১৪ থেকে ঘুরে দাড়াচ্ছিল। বিগত ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ আর্থিক বছরে সংস্থা অপারেশনাল প্রফিট করেছিল। সমস্যার সূত্রপাত হয় যখন রিলায়েন্স জিও সেপ্টেম্বর ২০১৬ থেকে পরিষেবা চালু করে। রিলায়েন্স জিও তার বিশাল আর্থিক ক্ষমতার সাহায্যে প্রিডেটরী প্রাইসিং এর মাধ্যমে প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানীগুলিকে বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে । এই প্রসঙ্গে অনেকেরই স্মরণে আছে যে রিলায়েন্স জিও এর প্রিডেটরী প্রাইসিং এর বিরোধিতা করার জন্য কিভাবে  শ্রী জে এস দীপক,  তৎকালীন ডিওটি এর সেক্রেটারি কে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল ।

ট্রাই রিলায়েন্স জিও কে সহায়তা করেছে । প্রথমে প্রিডেটরী প্রাইসিং এর মে ২০০৩ জারি করা সংজ্ঞা পাল্টে দিয়ে। পরে ট্রাই ইন্টারকানেক্ট ইউসেজ চার্জ (আইইউসি) অক্টোবর ২০১৭ সালে ৫৭% হ্রাস করে রিলায়েন্স জিও এর ১০০০ কোটি টাকার সুবিধা করে দিয়েছে যখন সে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের রেভিনিউ কালেকশন এর ধারে কাছে ছিল না ।

বিএসএনএল  তৈরির সময়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা তার আর্থিক স্বয়ম্ভরতা রক্ষার জন্য সমস্ত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন । কিন্তু বাস্তবে কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএনএল এর সঙ্গে বিমাতৃসুলভ আচরণ করেন। এর প্রকৃষ্ট উদাহরণ আজ পর্যন্ত বিএসএনএল কে ৪জি স্পেকট্রাম প্রদান করা হল না যা এর উন্নতির পথে বিশাল  বাধার সৃষ্টি করছে ।

শ্রী মনোজ সিনহা মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী এইউএবি নেতৃত্বকে জানুয়ারি,  ২০১৮ আশ্বাস দিয়েছিলেন অবিলম্বে বিএসএনএল কে ৪জি স্পেকট্রাম প্রদান করা হবে। কিন্তু এক বছর অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের সেই আশ্বাস কার্যকরী হল না । বিএসএনএল কে ৪জি স্পেকট্রাম প্রদান না করা কেন্দ্রীয় সরকারের এই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার উন্নয়নের ডানা ছাটার পরিকল্পিত পদক্ষেপ।

বিএসএনএল এর বাজারে ধার মাত্র ১৩০০ কোটি টাকা । ভারতের টেলিকম সেক্টরের বিএসএনএল এরই ঋণ সবচেয়ে কম। রিলায়েন্স জিও সহ অন্য বেসরকারি সংস্থার ঋণের পরিমাণ ১লক্ষ কোটি টাকার উপরে । তা সত্ত্বেও ডিওটি বিএসএনএল এর ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেবার ক্ষেত্রে অহেতুক বাধা সৃষ্টি করছে। বিএসএনএল এর উন্নয়নে বাধার ক্ষেত্রে এটা একটা সরাসরি প্রচেষ্টা ।

বিএসএনএল এর সারা দেশ জুড়ে যে পরিমান অব্যবহৃত জমি আছে তার বাজার মূল্য প্রায় এক লক্ষ কোটি টাকা। সে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায় যে এই অব্যবহৃত জমি ভাড়া বা লীজে দিয়ে টাকা আয় করার জন্য । আনুমানিক এর ফলে সংস্থার বছরে ৫০০০ কোটি টাকা রোজগার হতে পারে। যদিও এক বছর অতিবাহিত হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রয়োজনীয় অনুমতি এখনও পর্যন্ত পাওয়া গেল না ।

সম্প্রতি সারা দেশ দেখল যে কেন্দ্রীয় সরকার জেট এয়ারওয়েজ এর বেল আউটের কি  দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছেন। অরুণ জেটলি মাননীয় অর্থমন্ত্রী স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া কে বাধ্য করলেন ১৫০০ কোটি টাকা লগ্নি করতে। কিন্তু বিএসএনএল নিজস্ব সংস্থা হওয়া সত্ত্বেও কেন্দ্রীয় সরকারের উদারতা এক্ষেত্রে লক্ষ্য করা গেল না ।  সকলে শুনলে আশ্চর্য হবেন যে বিগত ১৮ বছরে এই সংস্থার পিছনে সরকার এক নয়া পয়সা খরচ করেন নি।

এমটিএনএল এ ভিআরএস চালু করা আগেই হয়েছে। কিন্তু ভিআরএস সংস্থাটির আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে পারে নি। বর্তমানে সংস্থাটি গলা পর্যন্ত ঋণে ডুবে আছে। তাই আমরা বলতে চাই ভিআরএস বিএসএনএল এর আর্থিক সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে পারবে না ।

যদি কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএনএল এর আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে চান তবে অবিলম্বে ৪জি স্পেকট্রাম প্রদান করুন । বিএসএনএল এর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সফট লোনের ব্যবস্থা করুন। বিএসএনএল এর ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশন সমূহের দাবি মেনে বিএসএনএল এর অব্যবহৃত জমি ভাড়া বা লীজের অনুমোদন দিয়ে সেখান থেকে আয় করার সুযোগ করে দিন।

আজ আমরা সেই সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছি যখন কেন্দ্রীয় সরকার সারা দেশ জুড়ে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির উপর আক্রমণ নামিয়ে এনেছে । বিএসএনএল কে যত দ্রুত সম্ভব বেসরকারি সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া এই সরকারের ইচ্ছা । বিএসএনএল এর ক্ষেত্রে ভিআরএস চালু করা সংস্থাটির কর্মচারী সংকোচন এর মাধ্যমে বেসরকারি পুঁজিপতিদের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা ছাড়া আর কিছু না। 

তাই বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ডিওটি এর ভিআরএস চালু করার পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করছে ।আমাদের  কেন্দ্রীয় সরকারের এই স্বৈরাচারী পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সমমনোভাবাপন্ন ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশনগুলিকে ঐক্যবদ্ধ করে সর্বশক্তি দিয়ে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে  । 

 
[3rd Apr 2019]

সঞ্চার ভবন অভিযানে অংশ গ্রহণ করতে বাধা দান

 

আরও একবার কর্পোরেট অফিস এর এসআর ব্রাঞ্চ বিএসএনএল এর প্রতিটি সার্কেল এর সিজিএম কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে যাতে তারা আসন্ন সঞ্চার ভবন অভিযানে অংশ গ্রহণকারীদের ছুটি মঞ্জুর না করেন। বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ সমস্ত অংশগ্রহণকারীদের এই চিঠি অগ্রাহ্য করে ব্যাপক সংখ্যায় জমায়েত করার আহবান জানান ।  সেই সাথে আরও জানান কোনও সমস্যা হলে সিএইচকিউ এর দায়িত্ব নেবেন। 

 
[1st Apr 2019]

কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয় 

 

১ এপ্রিল সোমবার কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর একটি জরুরী সার্কেল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা আয়োজিত হয়েছিল । এই সভায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি আলোচনা হয় এবং সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় ।

১) আগামী ৫ এপ্রিল নতুন দিল্লিতে সঞ্চার ভবন অভিযানের সমর্থনে কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর সর্বত্র প্রচার অভিযান সংগঠিত করতে হবে । ৫ জন মহিলা সদস্য সহ মোট ৩৬ জন এই অভিযানে কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর প্রতিনিধিত্ব করবেন । এছাড়া মহিলা কমরেডরা দিল্লিতে অন্য একটি সভায় অংশ গ্রহণ করবেন ।

২) বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল সবসময় জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের বেতন প্রদান করার এবং তাদের কোনও রকম ছাঁটাই করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে আন্দোলনে সঙ্গে আছে।

৩) বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল সর্বদা কর্মচারীদের সুরক্ষা ও কলকাতা টেলিফোন্স এর পরিষেবার মান উন্নতি ঘটানোর জন্য আন্দোলন সংগঠিত করেছে।

৪) আগামী ৪ এপ্রিল থেকে ৮ এপ্রিল পর্যন্ত নতুন দিল্লিতে সঞ্চার ভবন অভিযান ও গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত বিএসএনএলইইউ এর সিইসি মিটিং এর জন্য কম শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক এর অনুপস্থিতিতে কম জয়ন্ত ঘোষ, সহকারী সার্কেল সম্পাদক, সার্কেল  সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করবেন।

৫) আগামী ৬ ও ৭ এপ্রিল বিএসএনএলইইউ এর সিইসি মিটিং  গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত হবে সেখানে কম সুকান্তি মুখার্জি, সহকারী সভাপতি কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর প্রতিনিধিত্ব করবেন।

 
[28th Mar 2019]

ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনই অধিকার আদায়ের একমাত্র পথ 

 

এক ঐতিহাসিক মুহুর্তের সাক্ষী থাকলো ক্যালকাটা টেলিফোন্স । হাজার হাজার ঠিকা শ্রমিকদের ভবিষ্যত নিয়ে ছিনিমিনি খেলা ক্যালকাটা টেলিফোন্স  কর্তৃপক্ষ নিশ্চই আগামী দিনে ঠিকা শ্রমিকদের দীর্ঘ লড়াই আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে তিল তিল করে সঞ্চয় করা অধিকার একটি প্রস্তাবের মধ্যে দিয়ে কেড়ে নেবার দিকে হাত বাড়াবার আগে দশবার ভাবতে বাধ্য হবে।

গত 22 শে মার্চের প্রকাশিত হওয়া প্রস্তাবের উপরে দাড়িয়ে আমরা ক্যালকাটা টেলিফোনসৃ ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন ক্যালকাটা টেলিফোনসের সমস্ত ঠিকা শ্রমিকদের সংগঠন গুলোর কাছে আবেদন রেখেছিলাম এই অন্যায় ভাবে চাপিয়ে দেওয়া কালো অর্ডার প্রত্যাহার করার জন্য লড়াই আন্দোলন একত্রিত ভাবে করা যায় কিনা? সংগঠন গুলোর পক্ষথেকে সরাসরি সেই প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছিল ও সম্মতি জানিয়ে ছিলেন। এই সংগঠন গুলো হলো বিএসএনএল  এনটিডব্লুসি, পিবিসিডব্লুইউ, বিএসএনএল সিএলইউ, সিটিসিএলইউ, এছাড়া ও আমাদের সংগঠন সিটিটিএমইউ,  মতাদর্শ গত ফারাক থাকলেও আমাদের বিশ্বাস ছিল শ্রমিকদের ভবিষ্যতের স্বার্থে সবাই মিলে কর্তৃপক্ষের এই প্রস্তাব বাতিল করতে পারবো। আজকে টেলিফোন ভবনে হাজার হাজার ঠিকা বন্ধুদের উপস্থিতিতে আমরা পেরেছি সেই কাজ করতে । পাঁচটি সংগঠনের মিলিত চাপের মুখে পড়ে কর্তৃপক্ষ বাধ্য হয় ওই শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী প্রস্তাব তুলে নেবার কথা ঘোষণা করতে। আমরা দাবি করে ছিলাম বকেয়া বেতন অবিলম্বে প্রদান করার, উত্তরে কর্তৃপক্ষ আগামী দুই দিনের মধ্যে জানাবেন বলে কথা দেন।

আমাদের পক্ষথেকে তৃতীয় দাবি হিসেবে লেবার সংখ্যা ও আধিকারিকের সাক্ষর সম্বলিত কপি ইউনিয়ন গুলোর হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান হয়। চাপের মুখে পড়ে কর্তৃপক্ষ ঘোষণা করেন আগামী ৫ই এপ্রিল সেই তালিকা তুলে দেওয়া হবে । আমরা চতুর্থ দাবি হিসেবে ঠিকা শ্রমিকদের বর্তমান বেতন কাঠামোর পরিবর্তন দাবি করে বহিরাগত কন্ট্রাক্টরের পরিবর্তে অন্য কোনো উপায়ে বেতনের দাবি জানাই । যার মধ্যে দিয়ে বহিরাগত কন্ট্রাক্টর বাদ দিলে পঞ্চাশ থেকে ষাট লক্ষ টাকা দপ্তরের খরচ কমতে পারে বলে দাবি করা হয় সংগঠন গুলোর পক্ষথেকে, এর জবাবে কর্তৃপক্ষ বিকল্প কোন রাস্তা নিয়ে আলোচনা করবেন বলে আসস্ত করার পাশাপাশি আমাদের প্রস্তাব জানতে চান। আগামী দিনে নিশ্চই এই বিষয়ে আমরা দপ্তর কে জানাবো বা আলোচনা করবো। সেই সাথে পাওয়ারের প্রায় 40জন ঠিকা শ্রমিকদের ভবিষ্যত্ আজ গভীর অন্ধকারে, বার্ষিক চুক্তি আর বাড়াতে চাইছে না কর্তৃপক্ষ । আমরা বার বার আবেদন রেখেছি কর্তৃপক্ষের কাছে দীর্ঘ 20 বছরের উপরে কাজ করে আসা শ্রমিকদের দপ্তরের কাজের সাথে যুক্ত করে তাদের ও তাদের পরিবার কে রক্ষা করতে ।

এই লড়াই শুধুমাত্র পাঁচ টি সার্কেল ইউনিয়নের যৌথ মঞ্চের লড়াই নয়। হাজার হাজার ঠিকা শ্রমিকদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত রাখার লড়াই । যে সমস্ত সাথীরা পকেটে টাকা না থাকার পরেও এই লড়াই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে শক্তি যুগিয়েছেন ক্যালকাটা টেলিফোনসৃ ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন ও যৌথ মঞ্চের পক্ষ থেকে তাদের জানাই লাল সেলাম । আগামী দিনগুলিতে যে কোন কঠিন পরিস্থিতিতে আমরা একত্রিত ভাবে ভুমিকা গ্রহন করার মধ্যে দিয়ে দপ্তর ও কর্তৃপক্ষের আক্রমণ প্রতিহত করতে পারবো এই আশা করছি । আগামী কাল সকালে  অফিস দপ্তরে আজকের এই লড়াই আন্দোলনের বিষয় গেট সভার মধ্যে দিয়ে তুলে ধরতে সিটিটিএমইউ এর সকল জেলা ও ব্রাঞ্চ কর্মকর্তা মন্ডলীকে আহ্বান জানাই। সকল কমরেড বন্ধুদের ও অন্যান্য সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের লাল সেলাম জানাই সংগঠনের পক্ষ থেকে ।

 
[27th Mar 2019]

চীফ জেনারেল ম্যানেজার কলকাতা টেলিফোন্স এর সঙ্গে ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন এর মিটিং :-

 

আজ ২৭ মার্চ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর সমস্ত ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন এর নেতৃবৃন্দ সিজিএম, কলকাতা টেলিফোন এর সাথে দেখা করেন এবং ঠিকা শ্রমিকদের বিগত চার মাস ধরে বেতন প্রদান না হওয়া নিয়ে আলোচনা করেন । এই সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয় 

১) জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের বেতন  কবে দেওয়া হবে তা দু-তিন দিনের মধ্যে জানানো হবে।

২) ২২ মার্চ মিটিং এর যে মাইনুটস  জিএম (এইচ আর এন্ড অ্যাডমিন) বিজ্ঞপ্তি জারি করেছেন তা অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

৩) কর্মরত ঠিকা শ্রমিকদের তালিকা ইউনিয়নগুলিকে ৫ এপ্রিল এর মধ্যে ক্রশ ভেরিফিকেশন করার জন্য দিতে হবে ।

৪) বিএসএনএল এর বর্তমান আর্থিক অবস্থার কথা চিন্তা করে কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর কর্তৃপক্ষ ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন  নেতৃবৃন্দ এর কাছে আবেদন করেন যে এখন তারা যেন প্রতিদিন এর কাজ বন্ধ না করেন। কর্তৃপক্ষ দু-তিন দিনের মধ্যে বেতন প্রদান করার জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ড আনানোর চেষ্টা করবেন । 

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA