15th Aug 2019: আসন্ন অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন ,

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন এ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কে পুনরায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Jayanta Kumar Ghosh
( President )

Com. Shankar Keshar Nepal
( Secretary )

Com. Sujit Ganguly
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 17th May 2026
 
[22nd Apr 2026]

২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার কাল ব‍্যাজ পরিধান সংক্রান্ত

 

প্রিয় কমরেড শাখা সম্পাদক/জেলা সম্পাদক/সার্কেল কর্মকর্তাগণ,

 

বিষয়: ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার কাল ব‍্যাজ পরিধান সংক্রান্ত

 

গত ৪ মাস ধরে কেন্দ্রীয় সরকারের টালবাহানা চলছে আইডিয়ে দেওয়া নিয়ে।

জানুয়ারি মাস থেকে ৩.৫% এবং এপ্রিল মাস থেকে আরও ১.৭% আই ডি এ পাওনা বিএসএনএল কর্মচারীদের।

 আন্দোলন চলছে।আরও জোড়ালো করতে হবে।এই কর্মসূচী তারই অঙ্গ। 

আগামীকাল প্রত‍্যেক এক্সিকিউটিভ ও নন- এক্সিকিউটিভ কাল ব‍্যাজ পড়ে এই দাবি জানান প্রতিটি অফিস দপ্তরে।

অভিনন্দনসহ,

শংকর কেশর নেপাল, সার্কেল সম্পাদক,

বিএসএনএলইইউ সিটিডি

 

বিশেষ দ্রষ্টব্য: কাল রিবন কেটে পড়তে হবে।

 
[8th Apr 2026]

জরুরি নোটিশ, ০৭/০৪/২০২৬

 

 

প্রিয় কমরেড সার্কেল সম্পাদকগণ,

 

আসন্ন বিধানসভা অস্টাদশ নির্বাচনে আমাদের কর্মীদের এক একজন দায়িত্বশীল নাগরিকের ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম এই কাজে উৎসাহিত হয়ে আরও বেশি করে এগিয়ে আসতে পারে।

আমরা সবাই জানি এবার আমাদের রাজ্যে ২ দফায় বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, ১ম পর্ব ২৩ এপ্রিল এবং ২য় পর্ব ২৯ এপ্রিল।

বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি কোনো রকম দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারে না। এই বিষয়টি নিয়ে বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, অল ইন্ডিয়া বিএসএনএল ডট পেনশনার অ‍্যাসোসিয়েশন, ক‍্যালকাটা টেলিফোনস্ ঠিকামজদুর ইউনিয়ন, কর্টো এবং ইপিএফ পেনশনার অ‍্যাসোসিয়েশন ইতোমধ্যে কনভেনশন ও সম্মেলন এর মাধ্যমে কর্মচারীদের মধ্যে প্রচার শুরু করেছে।

পাশাপাশি এই সময় বিএসএনএল সহ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার দুরবস্থার কথা জনগণকে জানানো উচিত। সেই কারণেই আমরা কলকাতা ও হাওড়া জেলার কিছু এলাকায় স্ট্রিট কর্নার মিটিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

নিম্নলিখিত তালিকায় কোথায় কবে স্ট্রিট কর্নার মিটিং করা হবে তা দেওয়া হল।

১৬ এপ্রিল বেলা ১ টায় টেরিটিবাজার

১৬ এপ্রিল বেলা ৩ টায় বাগবাজার

১৭ এপ্রিল বেলা ২-৩০ মিনিট বালিগঞ্জ প্লেস 

১৮ এপ্রিল বেলা ১২-৩০ মিনিট বিধাননগর 

২১ এপ্রিল বেলা ১ টায় শিবপুর হাওড়া 

২১ এপ্রিল বেলা ৩ টায় টেলিফোন ভবন 

২২ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় বৈষ্ণবঘাটা টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সামনে

২৫ এপ্রিল দুপুর ১২ টায় বেহালা টেলিফোন এক্সচেঞ্জের সামনে 

সকল সার্কেল সম্পাদকগণকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে আহ্বান জানানো হলো।

অভিনন্দনসহ,

শিশির কুমার রায়, কনভেনর,

বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি 

কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল

 
[8th Apr 2026]

পথসভায় অংশগ্রহণ করার জন্য সকলের কাছে আহ্বান

 

 

প্রিয় কমরেডগণ,

কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গে ১৮ তম বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে কয়েকটি জায়গায় স্ট্রিট কর্নার করার আহবান জানিয়েছে।কর্মরত কর্মচারী সহ সকল স্তরের কর্মীদের বিরুদ্ধে আজ ব্যাপক আক্রমণ চলছে। ৮ বছর ধরে বেতন বৃদ্ধি বন্ধ, দুই দফার প্রাপ্য ডিএ আটকে দিয়েছে, পেনশন রিভিশন এখনো অধরা, শ্রম কোড চালু করে কর্মীদের সমস্ত অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে, পেনশন ভ্যালিডেশন আইন চালু করে পেনশন ব্যবস্থা ধ্বংস করতে চাইছে, মানিটাইজেশন করে বিএসএনএল এর জায়গা জমি বিক্রি করে দিচ্ছে এই বিজেপি সরকার। 

রাজ্যের সরকার কেন্দ্রের সরকারের অনুসারী। তারাও রাজ্য কর্মচারী ও পেনশনারদের সমস্ত পাওনা আটকে দিচ্ছে। আক্রমণ সমস্ত খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের বিরুদ্ধে আরও তীব্র করছে এই দুই দল ও সরকার।

এই পরিস্থিতিতে সমস্ত অংশের শ্রমজীবী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে লড়াই করছে শুধু মাত্র বাম, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তি।

তাই এই নির্বাচনে আমাদের সকলের বাঁচার স্বার্থেই বামপন্থী শক্তিকে বিজয়ী করবার জন্য আমাদের লড়াই আজ জরুরি।

আমাদের সার্কেলের সমস্ত কর্মকর্তা, সমস্ত শাখা নেতৃবৃন্দ এবং ডিস্ট্রিক্ট নেতৃত্বের কাছে আহ্বান কো-অর্ডিনেশন কমিটির এই স্ট্রিট কর্নার সফল করতে সমস্ত শক্তি প্রয়োগ করুন এবং ব্যাপক জমায়েত করুন।

প্রতিটি ক্ষেত্রেই পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেমকে ব্যবহার করতে হবে যাতে করে সাধারণ মানুষকে আমাদের এই কথা জানানো যায়।

অভিনন্দনসহ,

শংকর কেশর নেপাল, সার্কেল সম্পাদক,

বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন 

তারিখ - ০৮.০৪.২০২৬

 
[28th Mar 2026]

বিএসএনএল ডব্লিউ ডব্লিউ সিসি-র দাদারে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় কনভেনশন

 

২৮ মার্চ, শনিবার, সর্বভারতীয় বিএসএনএল ডব্লিউ ডব্লিউ সিসি-র দাদারে অনুষ্ঠিত সর্বভারতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়। এই কনভেনশনে আমাদের সার্কেল থেকে ৮ জন মহিলা কর্মী এবং সার্কেল সভাপতি কমরেড জয়ন্ত কুমার ঘোষ ও কোষাধ্যক্ষ কমরেড সুজিত গাংগুলি সহ মোট ১০ জন সংগঠক অংশগ্রহণ করেন। কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল থেকে কমরেড সুলগ্না বসু কনভেনর নির্বাচিত হয়েছেন। কমরেড সুলগ্না বসুকে সংগ্রামী অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।

-শংকর কেশর নেপাল, সার্কেল সম্পাদক,

বিএসএনএলইইউ, সিটিডি সার্কেল

 
[23rd Mar 2026]

নন-এক্সিকিউটিভদের জন্য নতুন পদোন্নতি নীতির দাবি – বিএসএনএলইইউ প্রচেষ্টা জোরদার করেছে

 

২৩.০৩.২০২৬ তারিখে ডিরেক্টর (এইচআর)-এর সাথে বৈঠকে বিএসএনএলইইউ নন-এক্সিকিউটিভদের জন্য একটি নতুন পদোন্নতি নীতির দাবি জোরালোভাবে উত্থাপন করেছে। ইউনিয়নটি ইপিপি এবং এনইপিপি-এর মধ্যে চলমান বৈষম্যের বিষয়টি তুলে ধরেছে এবং ১৩.০১.২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত ৪০তম জাতীয় পরিষদ সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এর দ্রুত সমাধানের জন্য অনুরোধ জানিয়েছে। ম্যানেজমেন্ট জানিয়েছে যে একটি অ্যানোমালি কমিটি ইতোমধ্যে গঠন করা হয়েছে, যা কর্পোরেট অফিস থেকে ০৯.০৭.২০২৫ তারিখের BSNLCO-A/14(12)/4/2022-ESTAB নং পত্রের মাধ্যমে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে। তবে, ৮ মাস পরেও কোনো সভা অনুষ্ঠিত না হওয়ায় বিএসএনএলইইউ তীব্র আপত্তি জানিয়েছে। সকল সার্কেল এবং জেলা সচিবদের অবিলম্বে তাদের প্রস্তাব সিএইচকিউ-তে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে। বিএসএনএলইইউ আর কোনো বিলম্ব না করে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য ইউনিয়ন প্রতিনিধিদের সাথে কমিটির একটি দ্রুত বৈঠকের জন্য চাপ দেবে।

-অনিমেশ মিত্র, জিএস, বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ

 
[23rd Mar 2026]

বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপন করুন।

 

বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিএইচকিউ)

নয়াদিল্লি-১১০০০৮

 

বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপন করুন।

 

প্রিয় কমরেডগণ,

বিএসএনএলইইউ হলো বিএসএনএল-এর ঐক্যবদ্ধ ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের অগ্রদূত। আগামী ২২-০৩-২০২৬ তারিখে এটি তার প্রতিষ্ঠার রজত জয়ন্তী বর্ষ উদযাপন করতে চলেছে। ম্যাঙ্গালোর সিইসি-র সভায় বছরজুড়ে কার্যকরভাবে বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সিএইচকিউ বিএসএনএলইইউ-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্জিত অধিকার তুলে ধরতে এই সংক্ষিপ্ত নোটটি প্রস্তুত করেছে।

বিএসএনএলইইউ—ঐক্য ও সংগ্রামের অগ্রদূত।

২০০০ সালে ডিটিএস এবং ডিটিও বিভাগগুলোকে বিএসএনএল-এ রূপান্তর করার ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পর্যায়ক্রমে কোম্পানিটির বিলগ্নীকরণ এবং চূড়ান্তভাবে এটিকে বেসরকারীকরণ করা। তবে, ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পরেও, বিএসএনএল একটি ১০০% সরকারি কোম্পানি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এটি বিএসএনএল-এর ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য, যার নেতৃত্বে ছিল বিএসএনএলইইউ।

সরকার তার বেসরকারিকরণের নীতি এবং বিএসএনএল-বিরোধী নীতির মাধ্যমে বিএসএনএল-কে দুর্বল করতে সক্ষম হয়েছে। স্বেচ্ছাবসর (VRS) এর মাধ্যমে প্রায় ৮০,০০০ কর্মচারীকে ছাঁটাই করতেও সক্ষম হয়েছে। তা সত্ত্বেও, বিএসএনএল আমাদের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিসেবেই রয়ে গেছে। কর্মচারীদের সংগঠিত সম্মিলিত সংগ্রামের ফলেই বিএসএনএল দেরিতে হলেও তার ৪জি পরিষেবা চালু করতে পেরেছে।

এটা এক অনস্বীকার্য সত্য যে, শুধুমাত্র বিএসএনএলইইউ-এর প্রচেষ্টার ফলেই বিএসএনএল-এ ট্রেড ইউনিয়ন ও সমিতিগুলোর যৌথ মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। এই যৌথ মঞ্চের ব্যানারেই কর্মচারী ও কর্মকর্তারা নিরলসভাবে বিভিন্ন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। এই সংগ্রামগুলোর ফলেই বিএসএনএল আজও একটি ১০০ শতাংশ সরকারি সংস্থা হিসেবে টিকে আছে। নিঃসন্দেহে, বিএসএনএল-এর ঐক্য ও সংগ্রামের অগ্রদূত হলো বিএসএনএলইইউ,

কর্মচারীদের ত্রাণকর্তা।

বিএসএনএলইইউ ২০০২ সালে সিডিএ বেতন স্কেল থেকে আইডিএ বেতন স্কেলে স্থানান্তরের মাধ্যমে কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বেতন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল। আবার, বিএসএনএলইইউ ০১-০১-২০০৭ তারিখ থেকে কার্যকর ৩০% ফিটমেন্ট সহ একটি চিত্তাকর্ষক মজুরি সংশোধন নিশ্চিত করে। এর ধারাবাহিকতায়, বিএসএনএলইইউ ৭৮.২% আইডিএ নির্ধারণ নিশ্চিত করতে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। নন-এক্সিকিউটিভ পদোন্নতি নীতি (এনইপিপি), যা নন-এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের ন্যূনতম ৪টি পদোন্নতির সুযোগ প্রদান করে, তা বিএসএনএলইইউ-এর একটি যুগান্তকারী অর্জন।

বিএসএনএলইইউ হাজার হাজার নিয়মিত মজদুরের জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি নিশ্চিত করেছে, যাঁদের ৩০-০৯-২০০০ তারিখের আগে অস্থায়ী মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে নিয়মিত করা হয়। এই সাফল্যের মাধ্যমে, ঐ হাজার হাজার নিয়মিত মজদুর সরকারি পেনশনের জন্য যোগ্য হন। বিএসএনএলইইউ কর্তৃক বিভিন্ন নন-এক্সিকিউটিভ ক্যাডারে নতুন ও সম্মানজনক পদবি প্রবর্তনের ফলে কর্মীদের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

সারা দেশে বিএসএনএলই একমাত্র লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, যেখানে সফলভাবে একটি বেতন সংশোধন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিএসএনএল-এর পরিচালক পর্ষদ এই বেতন সংশোধন চুক্তিটি অনুমোদন করে সরকারের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। এটি বিএসএনএলইইউ-এর একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। বিএসএনএলইইউ-এর ধারাবাহিক লড়াই এর প্রচেষ্টা ছাড়া এই বেতন সংশোধন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারত না।

সরকারি পেনশন বিপন্ন করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।

ডট (DoT) বিএসএনএল কর্মীদের সরকারি পেনশন থেকে বঞ্চিত করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র করেছিল। তারা একটি আদেশ জারি করে জানায় যে, বিএসএনএল পেনশনভোগীদের পেনশন ব্যয়ের মাত্র ৬০% সরকার বহন করবে। এটি বিএসএনএল পেনশনভোগীদের সরকারি পেনশন থেকে বঞ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। দুই দিনের সম্মিলিত ধর্মঘটের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্রটি ব্যর্থ করে দেওয়া হয়। ডট (DoT) আরেকটি আদেশ জারি করে জানায় যে, বিএসএনএল পেনশনভোগীদের সম্পূর্ণ পেনশন ব্যয় সরকার বহন করবে। এই ষড়যন্ত্রটি ব্যর্থ করতে বিএসএনএলইইউ (BSNLEU) প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।

শ্রমজীবী নারীদের মর্যাদার সমর্থনে

এটি সর্বজনবিদিত যে, বিএসএনএলইইউ যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে এবং বিএসএনএল-এ কর্মরত নারীদের মর্যাদা রক্ষার জন্য দেশব্যাপী সংগ্রামের আয়োজন করেছিল। ম্যানেজমেন্টের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও একমাত্র বিএসএনএলইইউ-ই বিএসএনএল-এর নারী কর্মীদের জন্য চাইল্ড কেয়ার লিভ (সিসিএল) বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেছে। বিএসএনএল-এ সিসিএল-এর বাস্তবায়ন বিএসএনএলইইউ-এর একটি যুগান্তকারী সাফল্য।

রজত জয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপন করতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

সিএইচকিউ সার্কেল এবং জেলা ইউনিয়নগুলোকে বছরজুড়ে যথাযথভাবে বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। উপরে বর্ণিত বিএসএনএলইইউ-এর উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো পোস্টার, প্যামফলেট, বিশেষ সভা, সেমিনার ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মচারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত।

-অনিমেষ মিত্র, সাধারণ সম্পাদক

 
[18th Mar 2026]

২৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশজুড়ে ধর্না বিক্ষোভ 

 

প্রিয় সার্কেল সম্পাদকগণ,

 

সর্বভারতীয় স্তরে বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি ২৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশজুড়ে ধর্না বিক্ষোভ সংগঠিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে 

বিএসএনএলইইউ , এআইবিডিপিএ এবং বিএসএনএল সিসিডব্লিউএফ-এর কো-অর্ডিনেশন কমিটির ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় ২৩শে মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী (বিএ/ওএ) জেলা স্তরে একটি ধর্না কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ধর্নায় বিএসএনএল কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং চুক্তিভিত্তিক/ক্যাজুয়াল কর্মীদের যুক্ত করে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তুলে ধরা হবে, যার মধ্যে রয়েছে:-

 

১) পে রিভিশন অবিলম্বে চালু করা 

২) পেনশন সংশোধন চালু করা 

৩) পেনশন বৈধতা আইন-২০২৫ বাতিল করা 

৪) সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করার মাধ্যম এনএমপি বাতিল করা 

৫) কর্মীদের শক্তি হ্রাস বন্ধ করে শূন‍্য পদে লোক নিয়োগ করা 

৬) চুক্তিভিত্তিক এবং অস্থায়ী কর্মীদের ন‍্যূনতম মজুরি প্রদান, সামাজিক সুরক্ষা চালু করা এবং ছাঁটাই বন্ধ করা ইত্যাদি বিষয়ে 

 

নিম্নলিখিত স্থানে কর্মসূচি পালিত হবে:

১) সত‍্যবালা হাওড়া (পশ্চিম)

২) টেরিটি বাজার (পূর্ব)

৩) বাগবাজার (উত্তর)

৪) বালিগঞ্জ প্লেস (দক্ষিণ)

৫) টেলিফোন ভবন (হেডকোয়ার্টার)

সময়ঃ বেলা ১-৩০ মিনিট 

তারিখঃ ২৩ মার্চ সোমবার 

 

সকল সার্কেল সম্পাদকগণকে নিয়মিত কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং চুক্তি/ক্যাজুয়াল কর্মীদের ব্যাপকভাবে একত্রিত করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।

অভিনন্দনসহ,

-শিশির কুমার রায়, আহ্বায়ক,

বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি 

কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA