 |
|
20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,
আগামী ২২ মার্চ ২০১৯ বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন।
|
|
 |
|
 |
 |
|
Com Jayanta Kumar Ghosh
( President )
Com. Shankar Keshar Nepal
( Secretary )
Com. Sujit Ganguly
( Treasurer )
|
|
 |
|
|
|
|
|
|
 |
|
|
 |
| |
| Site
Updated On : 19th May 2026 |
|
| |
 |
 |
 |
| [23rd Mar 2026] |
বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপন করুন। |
|
|
| |
বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন (সিএইচকিউ)
নয়াদিল্লি-১১০০০৮
বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপন করুন।
প্রিয় কমরেডগণ,
বিএসএনএলইইউ হলো বিএসএনএল-এর ঐক্যবদ্ধ ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের অগ্রদূত। আগামী ২২-০৩-২০২৬ তারিখে এটি তার প্রতিষ্ঠার রজত জয়ন্তী বর্ষ উদযাপন করতে চলেছে। ম্যাঙ্গালোর সিইসি-র সভায় বছরজুড়ে কার্যকরভাবে বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়েছে। সিএইচকিউ বিএসএনএলইইউ-এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ অর্জিত অধিকার তুলে ধরতে এই সংক্ষিপ্ত নোটটি প্রস্তুত করেছে।
বিএসএনএলইইউ—ঐক্য ও সংগ্রামের অগ্রদূত।
২০০০ সালে ডিটিএস এবং ডিটিও বিভাগগুলোকে বিএসএনএল-এ রূপান্তর করার ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল পর্যায়ক্রমে কোম্পানিটির বিলগ্নীকরণ এবং চূড়ান্তভাবে এটিকে বেসরকারীকরণ করা। তবে, ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পরেও, বিএসএনএল একটি ১০০% সরকারি কোম্পানি হিসেবে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। এটি বিএসএনএল-এর ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনের একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য, যার নেতৃত্বে ছিল বিএসএনএলইইউ।
সরকার তার বেসরকারিকরণের নীতি এবং বিএসএনএল-বিরোধী নীতির মাধ্যমে বিএসএনএল-কে দুর্বল করতে সক্ষম হয়েছে। স্বেচ্ছাবসর (VRS) এর মাধ্যমে প্রায় ৮০,০০০ কর্মচারীকে ছাঁটাই করতেও সক্ষম হয়েছে। তা সত্ত্বেও, বিএসএনএল আমাদের দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিসেবেই রয়ে গেছে। কর্মচারীদের সংগঠিত সম্মিলিত সংগ্রামের ফলেই বিএসএনএল দেরিতে হলেও তার ৪জি পরিষেবা চালু করতে পেরেছে।
এটা এক অনস্বীকার্য সত্য যে, শুধুমাত্র বিএসএনএলইইউ-এর প্রচেষ্টার ফলেই বিএসএনএল-এ ট্রেড ইউনিয়ন ও সমিতিগুলোর যৌথ মঞ্চ তৈরি হয়েছিল। এই যৌথ মঞ্চের ব্যানারেই কর্মচারী ও কর্মকর্তারা নিরলসভাবে বিভিন্ন সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। এই সংগ্রামগুলোর ফলেই বিএসএনএল আজও একটি ১০০ শতাংশ সরকারি সংস্থা হিসেবে টিকে আছে। নিঃসন্দেহে, বিএসএনএল-এর ঐক্য ও সংগ্রামের অগ্রদূত হলো বিএসএনএলইইউ,
কর্মচারীদের ত্রাণকর্তা।
বিএসএনএলইইউ ২০০২ সালে সিডিএ বেতন স্কেল থেকে আইডিএ বেতন স্কেলে স্থানান্তরের মাধ্যমে কর্মচারীদের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য বেতন বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিল। আবার, বিএসএনএলইইউ ০১-০১-২০০৭ তারিখ থেকে কার্যকর ৩০% ফিটমেন্ট সহ একটি চিত্তাকর্ষক মজুরি সংশোধন নিশ্চিত করে। এর ধারাবাহিকতায়, বিএসএনএলইইউ ৭৮.২% আইডিএ নির্ধারণ নিশ্চিত করতে একটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। নন-এক্সিকিউটিভ পদোন্নতি নীতি (এনইপিপি), যা নন-এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের ন্যূনতম ৪টি পদোন্নতির সুযোগ প্রদান করে, তা বিএসএনএলইইউ-এর একটি যুগান্তকারী অর্জন।
বিএসএনএলইইউ হাজার হাজার নিয়মিত মজদুরের জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশ জারি নিশ্চিত করেছে, যাঁদের ৩০-০৯-২০০০ তারিখের আগে অস্থায়ী মর্যাদা দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু পরবর্তীতে নিয়মিত করা হয়। এই সাফল্যের মাধ্যমে, ঐ হাজার হাজার নিয়মিত মজদুর সরকারি পেনশনের জন্য যোগ্য হন। বিএসএনএলইইউ কর্তৃক বিভিন্ন নন-এক্সিকিউটিভ ক্যাডারে নতুন ও সম্মানজনক পদবি প্রবর্তনের ফলে কর্মীদের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সারা দেশে বিএসএনএলই একমাত্র লোকসানি রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা, যেখানে সফলভাবে একটি বেতন সংশোধন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বিএসএনএল-এর পরিচালক পর্ষদ এই বেতন সংশোধন চুক্তিটি অনুমোদন করে সরকারের অনুমোদনের জন্য পাঠিয়েছে। এটি বিএসএনএলইইউ-এর একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য। বিএসএনএলইইউ-এর ধারাবাহিক লড়াই এর প্রচেষ্টা ছাড়া এই বেতন সংশোধন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হতে পারত না।
সরকারি পেনশন বিপন্ন করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।
ডট (DoT) বিএসএনএল কর্মীদের সরকারি পেনশন থেকে বঞ্চিত করার জন্য একটি ষড়যন্ত্র করেছিল। তারা একটি আদেশ জারি করে জানায় যে, বিএসএনএল পেনশনভোগীদের পেনশন ব্যয়ের মাত্র ৬০% সরকার বহন করবে। এটি বিএসএনএল পেনশনভোগীদের সরকারি পেনশন থেকে বঞ্চিত করার একটি প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই নয়। দুই দিনের সম্মিলিত ধর্মঘটের মাধ্যমে এই ষড়যন্ত্রটি ব্যর্থ করে দেওয়া হয়। ডট (DoT) আরেকটি আদেশ জারি করে জানায় যে, বিএসএনএল পেনশনভোগীদের সম্পূর্ণ পেনশন ব্যয় সরকার বহন করবে। এই ষড়যন্ত্রটি ব্যর্থ করতে বিএসএনএলইইউ (BSNLEU) প্রধান ভূমিকা পালন করেছিল।
শ্রমজীবী নারীদের মর্যাদার সমর্থনে
এটি সর্বজনবিদিত যে, বিএসএনএলইইউ যৌন হয়রানির বিরুদ্ধে এবং বিএসএনএল-এ কর্মরত নারীদের মর্যাদা রক্ষার জন্য দেশব্যাপী সংগ্রামের আয়োজন করেছিল। ম্যানেজমেন্টের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও একমাত্র বিএসএনএলইইউ-ই বিএসএনএল-এর নারী কর্মীদের জন্য চাইল্ড কেয়ার লিভ (সিসিএল) বাস্তবায়ন নিশ্চিত করেছে। বিএসএনএল-এ সিসিএল-এর বাস্তবায়ন বিএসএনএলইইউ-এর একটি যুগান্তকারী সাফল্য।
রজত জয়ন্তী যথাযথভাবে উদযাপন করতে আহ্বান জানানো হচ্ছে।
সিএইচকিউ সার্কেল এবং জেলা ইউনিয়নগুলোকে বছরজুড়ে যথাযথভাবে বিএসএনএলইইউ-এর রজত জয়ন্তী উদযাপন করার জন্য আহ্বান জানাচ্ছে। উপরে বর্ণিত বিএসএনএলইইউ-এর উল্লেখযোগ্য অর্জনগুলো পোস্টার, প্যামফলেট, বিশেষ সভা, সেমিনার ইত্যাদির মাধ্যমে কর্মচারীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া উচিত।
-অনিমেষ মিত্র, সাধারণ সম্পাদক |
|
 |
|
| |
 |
 |
| [18th Mar 2026] |
২৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশজুড়ে ধর্না বিক্ষোভ |
|
|
| |
প্রিয় সার্কেল সম্পাদকগণ,
সর্বভারতীয় স্তরে বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি ২৩ মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশজুড়ে ধর্না বিক্ষোভ সংগঠিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে
বিএসএনএলইইউ , এআইবিডিপিএ এবং বিএসএনএল সিসিডব্লিউএফ-এর কো-অর্ডিনেশন কমিটির ৮ মার্চ, ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত সভায় ২৩শে মার্চ, ২০২৬ তারিখে দেশব্যাপী (বিএ/ওএ) জেলা স্তরে একটি ধর্না কর্মসূচি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ধর্নায় বিএসএনএল কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং চুক্তিভিত্তিক/ক্যাজুয়াল কর্মীদের যুক্ত করে এমন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি তুলে ধরা হবে, যার মধ্যে রয়েছে:-
১) পে রিভিশন অবিলম্বে চালু করা
২) পেনশন সংশোধন চালু করা
৩) পেনশন বৈধতা আইন-২০২৫ বাতিল করা
৪) সরকারি সম্পত্তি বিক্রি করার মাধ্যম এনএমপি বাতিল করা
৫) কর্মীদের শক্তি হ্রাস বন্ধ করে শূন্য পদে লোক নিয়োগ করা
৬) চুক্তিভিত্তিক এবং অস্থায়ী কর্মীদের ন্যূনতম মজুরি প্রদান, সামাজিক সুরক্ষা চালু করা এবং ছাঁটাই বন্ধ করা ইত্যাদি বিষয়ে
নিম্নলিখিত স্থানে কর্মসূচি পালিত হবে:
১) সত্যবালা হাওড়া (পশ্চিম)
২) টেরিটি বাজার (পূর্ব)
৩) বাগবাজার (উত্তর)
৪) বালিগঞ্জ প্লেস (দক্ষিণ)
৫) টেলিফোন ভবন (হেডকোয়ার্টার)
সময়ঃ বেলা ১-৩০ মিনিট
তারিখঃ ২৩ মার্চ সোমবার
সকল সার্কেল সম্পাদকগণকে নিয়মিত কর্মচারী, পেনশনভোগী এবং চুক্তি/ক্যাজুয়াল কর্মীদের ব্যাপকভাবে একত্রিত করে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
অভিনন্দনসহ,
-শিশির কুমার রায়, আহ্বায়ক,
বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি
কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল |
|
 |
|
| |
 |
 |
| [18th Mar 2026] |
২৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হবে |
|
|
| |
প্রিয় কমরেড শাখা সম্পাদক/জেলা সম্পাদক/সার্কেল কর্মকর্তাগণ,
আপনারা অবগত আছেন যে এই বছর ২০২৬, আমাদের প্রিয় সংগঠন বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ হল। এই জন্য আগামী ২২ মার্চ ২৬তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন করা হবে। কিন্তু এই দিন রবিবার অর্থাৎ ছুটির দিন পড়েছে। তাসত্বেও আমরা এই দিনটি উদযাপন করতে চাই।
যদিও সর্বভারতীয় ইউনিয়ন বছর ব্যাপী এই বিষয়ে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করার আহ্বান জানিয়েছে।পরবর্তীতে সার্কেল ইউনিয়ন কমিটির সভায় ইউনিয়নের তরফে সেবিষয় নিয়ে আলোচনা করে সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং কর্মসূচি রুপায়ন করা হবে।
কিন্তু ঐদিন অর্থাৎ ২২ মার্চ তারিখ রবিবার, ইউনিয়নের রক্ত পতাকা উত্তোলন করার জন্য সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দের নিকট আহ্বান জানানো হচ্ছে।সেই সংগে ছবি সহকারে একটি সংক্ষিপ্ত রিপোর্ট সার্কেল ইউনিয়নকে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।
আশা করছি প্রত্যেক ব্রাঞ্চ ও ডিস্ট্রিক্ট সম্পাদক এই বিষয়ে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবেন।
অভিনন্দনসহ,
শংকর কেশর নেপাল,সার্কেল সম্পাদক,
বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল,
১৮/০৩/২০২৬, বুধবার |
|
 |
|
| |
 |
 |
| [13th Mar 2026] |
ছাঁটাই কর্মচারীদের পুনর্বহাল |
|
|
| |
প্রিয় সার্কেল সম্পাদকগণ,
কলকাতা টেলিফোনস্ এর অন্তর্ভুক্ত ইলেকট্রিক ইউনিটের ছাঁটাই কন্ট্রাক্ট কর্মীদের পূনর্বহাল করার দাবিতে ধারাবাহিক আন্দোলন চলছে। পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্তানুসারে আজ ১৩ মার্চ , শুক্রবার,চিফ জেনারেল ম্যানেজার এর অফিস টেলিফোন ভবনে ধর্না ও বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করা হয়। ২ টি কো-অর্ডিনেশন কমিটি কলকাতা টেলিফোনস্ এবং পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল যৌথভাবে এই আন্দোলন সংগঠিত করে। আজ আন্দোলন এর পর উভয় কো-অর্ডিনেশন কমিটির অন্তর্ভুক্ত সংগঠনসমূহ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, সিটিটিএমইউ, সিএমইউ, এআইবিডিপিএ, ইপিএফপিএ এবং কর্টোর সমস্ত নেতৃত্বের একটি সভা টেলিফোন ভবন বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন অফিসে অনুষ্ঠিত করা হয়েছে।
যেহেতু আজ এই আন্দোলনের পরেও কোনো সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসে নি। তাই আগামী ১৬ মার্চ, সোমবার, টেলিফোন ভবন সিজিএম অফিসে পুনরায় বেলা ১২ টা থেকে ধর্না-বিক্ষোভ আন্দোলন সংগঠিত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট শাখা সম্পাদক /ডিস্ট্রিক্ট সম্পাদকদের আবেদন করা হচ্ছে ব্যাপক জমায়েত করে আন্দোলনকে সাফল্যমন্ডিত করতে।
অভিনন্দনসহ,
শিশির রায় এবং সুজয় সরকার, কনভেনর
বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি
কলকাতা টেলিফোনস্ ও পশ্চিমবংগ সার্কেল
১৩/০৩/২০২৬, শুক্রবার |
|
 |
|
| |
 |
 |
| [12th Mar 2026] |
আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালন করল বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন ও মহিলা উপ-সমিতি |
|
|
| |
১১ মার্চ, ২০২৬ বুধবার টেলিফোন ভবন অডিটোরিয়াম হলে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের মহিলা সাব-কমিটির পক্ষ থেকে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সার্কেল সভাপতি কমরেড জয়ন্ত কুমার ঘোষ ও কমরেড সুলগ্না বসুকে নিয়ে গঠিত সভাপতিমন্ডলী। প্রারম্ভিক বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন সার্কেল সম্পাদক কমরেড শংকর কেশর নেপাল। তিনি আগত সমস্ত মহিলা কর্মী এবং সাধারণ সদস্যদের অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানান এই আন্তর্জাতিক নারী দিবস এবং কনভেনশনকে সফল করার জন্য।সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি কমরেড শিশির কুমার রায় মোদি সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াইয়ের আহ্বান জানান। দুজনেই তাদের বক্তব্যে আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য নিয়ে ব্যখ্যা করেন। এরপর এই অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক ভারতের গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির সম্পাদিকা কমরেড মোনালিসা সিনহা আন্তর্জাতিক নারী দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি তাঁর দীর্ঘ বক্তব্যে নারী দিবসের প্রাসঙ্গিকতা, নারীদের অধিকার এবং সকল নারীদের একসঙ্গে কাজ করার ও লড়াই করার ক্ষমতা বজায় রাখার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন। তাঁর মূল্যবান বক্তব্যে উপস্থিত সকলেই অনুপ্রাণিত হয়ে অভিনন্দন জানান। এই সভায় কলকাতা টেলিফোনস্ এর বিভিন্ন জেলা থেকে অনেক মহিলা কমরেড উপস্থিত ছিলেন। সভায় মহিলা কমরেডদের প্রত্যেককে বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের মহিলা সাব-কমিটির পক্ষ থেকে একটি করে উপহার দিয়ে সন্মান জানানো হয়। শুরুতেই কমরেড সুস্মিতা নাগ উদ্বোধনী সংগীত পরিবেশন করেন এবং সভার শেষে একজন সদস্যা নিজের লেখা কবিতা পাঠ করেন।
আলোচকের আলোচনার পর মহিলা উপসমিতি পুনর্গঠন করা হয়। কমরেড সুলগ্না বসু ও কমরেড সোমা চৌধুরীকে কনভেনর করে ১৫ জনের উপসমিতি গঠন করা হয়েছে।
সভাপতিমন্ডলী সকলকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের এই সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
ধন্যবাদসহ,
শংকর কেশর নেপাল,সার্কেল সম্পাদক ,
বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন,
কলকাতা টেলিফোনস্ সার্কেল । |
|
 |
|
| |
 |
 |
| [12th Mar 2026] |
চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) এর অফিস বড় বাজার টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ধর্না ও বিক্ষোভ |
|
|
| |
প্রিয় সার্কেল সম্পাদকগণ,
কলকাতা টেলিফোনস্ এর অন্তর্ভুক্ত ইলেকট্রিক ইউনিটে কর্মরত ছাঁটাই কন্ট্রাক্ট কর্মীদের পূনর্বহাল করার দাবিতে পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুসারে আজ ১২ মার্চ চিফ ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) এর অফিস বড় বাজার টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ধর্না ও বিক্ষোভ কর্মসূচি সংগঠিত করা হয়। ২ টি কো-অর্ডিনেশন কমিটি কলকাতা টেলিফোনস্ এবং পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল যৌথভাবে এই আন্দোলন সংগঠিত করে।
উভয় কো-অর্ডিনেশন কমিটির অন্তর্ভুক্ত বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন, সিটিটিএমইউ, সিএমইউ, এআইবিডিপিএ, ইপিএফপিএ এবং কর্টোর সমস্ত নেতৃত্বের একটি সভা বিক্ষোভ এর পর বড়বাজার টেলিফোন অফিসে অনুষ্ঠিত করা হয়েছে।
যেহেতু আজ এই আন্দোলনের পরেও কোনো সমাধান সূত্র বেরিয়ে আসে নি। তাই পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ১৩ মার্চ টেলিফোন ভবন সিজিএম অফিসে বেলা ১২ টা থেকে ধর্না-বিক্ষোভ আন্দোলন সংগঠিত করা হবে।
সংশ্লিষ্ট শাখা/ডিস্ট্রিক্ট সম্পাদকদের আবেদন করা হচ্ছে ব্যাপক জমায়েত করে আন্দোলনকে সাফল্যমন্ডিত করতে।
অভিনন্দনসহ,
শিশির রায় এবং সুজয় সরকার, কনভেনর
বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি
কলকাতা টেলিফোনস্ ও পশ্চিমবংগ সার্কেল
১২/০৩/২০২৬, বৃহস্পতিবার |
|
 |
|
| |
 |
 |
| [27th Feb 2026] |
জিপিএফ থেকে ইপিএফ-এ রূপান্তরিত কর্মকর্তাদের যোগদানের তারিখ থেকে ইপিএফ অবদান পরিশোধ করতে হবে - সার্কেল সচিবদের তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে |
|
|
| |
বিভিন্ন মহল থেকে সিএইচকিউ -এর কাছে বেশ কিছু অভিযোগ এসেছে যে, বিএসএনএল -এর জিপিএফ থেকে ইপিএফ -তে রূপান্তরিত কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে, কর্পোরেট অফিস কর্তৃক আদেশ জারির তারিখ থেকেই ইপিএফ -এর অবদান ইপিএফ কর্তৃপক্ষের কাছে জমা করা হয়েছে। তবে, অবদানগুলি বিএসএনএল-এ কর্মকর্তাদের যোগদানের প্রকৃত তারিখ থেকে পাঠানো উচিত, রূপান্তর আদেশের তারিখ থেকে নয়।
১৮ ফেব্রুয়ারি,২০২৬ তারিখে পরিচালক (মানবসম্পদ) এর সাথে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ আনুষ্ঠানিক বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল এবং পরিচালক (মানবসম্পদ) আশ্বস্ত করেছিলেন যে সংশ্লিষ্ট সার্কেল অফিসগুলি কর্তৃক যথাযথভাবে প্রেরিত পৃথক আবেদনপত্র প্রাপ্তির পরে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতএব, সিএইচকিউ একই অভিযোগ থাকা সার্কেল ইউনিয়নগুলিকে অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মকর্তাদের নাম, প্রাসঙ্গিক নথির কপি, যোগদানের তারিখ ইত্যাদি প্রেরণের জন্য অনুরোধ করছে, যাতে বিষয়টি আরও বোঝানোর জন্য কর্পোরেট অফিসে পিজিএম (সংস্থা) এর সাথে তোলা যায়।
-অনিমেষ মিত্র, জিএস, বিএসএনএলইইউ |
|
 |
|
| |
|
|
|
|
|
 |
|