20th Mar 2019: আসন্ন ৫ এপ্রিল সঞ্চার ভবন অভিযান সফল করুন,

Implement 3rd PRC with effect from 01.01.2017.

No tower subsidiary company in BSNL. 

 

3rd Jan 2019: ৮ ও ৯ জানুয়ারি দুদিনের সাধারণ ধর্মঘট সফল করুন ,

কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মচারী বিরোধী নীতির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলির ডাকে আগামী ৮ ও ৯ জানুয়ারি দুদিনের সাধারণ ধর্মঘট এর ডাক দেওয়া হয়েছে । এই ধর্মঘটে বিএসএনএল এর সমস্ত কর্মচারীদের সামিল হওয়ার জন্য বিএসএনএলইইউ আহ্বান জানাচ্ছে। 

 

1st Feb 2019: ৩ দিনের ধর্মঘট ,

অল ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশন অফ বিএসএনএল এর ডাকে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে  তিন দিনের ধর্মঘট সফল করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Prabir Kumar Dutta
( President )

Com. Sisir Kumar Roy
( Secretary )

Com. Debasis Dey
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 25th May 2019
 
[16th Apr 2019]

কম পি অভিমন্যু, সাধারণ সম্পাদক এর "বিএসএনএল বাঁচাও - দেশ বাঁচাও" কর্মসূচি সফল  করার আহবান 

 

সমস্ত সার্কেল সম্পাদকদের ও সিএইচকিউ এর অফিস  বেয়ারারদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে বিভিন্ন স্থানে স্ট্রীট কর্ণার মিটিং করার মাধ্যমে "বিএসএনএল বাঁচাও - দেশ বাঁচাও" কর্মসূচি সফল ভাবে সংগঠিত করতে হবে । প্রচন্ড গরম পড়েছে। তাই  স্ট্রীট কর্ণার মিটিং গুলি সন্ধ্যার সময় করা যেতে পারে। যত বেশি সম্ভব হ্যান্ডবিল ছাপিয়ে এবং তা কর্মচারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে বিলি করতে হবে । ৩০ এপ্রিল এর মধ্যে যত বেশী সংখ্যক স্ট্রীট কর্ণার মিটিং অনুষ্ঠিত করতে হবে । স্ট্রীট কর্ণার মিটিং গুলির রিপোর্ট ও ছবি সিএইচকিউ কে পাঠাতে হবে ।

 
[16th Apr 2019]

বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর সার্কেল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা :

 

আজ ১৬ এপ্রিল, মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ বিএসএনএলইইউ কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর একটি জরুরী সভা আয়োজিত হয়েছিল অলিম্পিয়া হাউজে। এই সভায় কম প্রবীর দত্ত, সার্কেল সভাপতি সভাপতিত্ব করেন । বিস্তারিত আলোচনার পর সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় ।

১)  ২২ এপ্রিল, সোমবার বেলা দুটায় বিএসএনএলইইউ এর অ্যাক্টিভ ওয়ার্কার সভা আয়োজিত হবে টেলিকম ইন্সটিটিউট হল, সিটিও বিল্ডিং এ । বিএসএনএলইইউ এর সিইসি মিটিং গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আসন্ন লোকসভা নির্বাচনে বিএসএনএল কর্মচারীরা কি ভূমিকা পালন করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বক্তব্য রাখবেন কম অনিমেষ মিত্র, সভাপতি, বিএসএনএলইইউ সিএইচকিউ ।

২) বিএসএনএল এর কর্মচারীদের বিভিন্ন সমস্যা ও তাদের প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা না পাওয়ায় একটি বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠিত হবে আগামী ৮ মে টেলিফোন  ভবনে। এই বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে সিজিএম, কলকাতা টেলিফোন্স  কে মেমোরান্ডাম প্রদান করা হবে।

৩) ১৩ থেকে ৩০ এপ্রিল কলকাতা টেলিফোন্স এর সর্বত্র "বিএসএনএল বাঁচাও - দেশ বাঁচাও " কর্মসূচি পালন করা হবে। স্ট্রীট কর্ণার মিটিং এবং কর্মচারী  ও সাধারণ মানুষের মধ্যে হ্যান্ডবিল বিলি করার মাধ্যমে বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর জন্য  প্রচার করতে হবে ।

৪) কলকাতা টেলিফোন্স কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে কম বিশ্বজিৎ শীল, সহকারী সার্কেল সম্পাদক কে কারণ দর্সানোর নোটিশ প্রদান করা হয়েছিল তা প্রত্যাহার করা না হলে আন্দোলন সংগঠিত করা হবে । 

 
[13th Apr 2019]

*"बीएसएनएल बचाओ - देश बचाओ" अभियान की आज से शुरुआत- देशव्यापी नुक्कड़ सभाएं आयोजित करें ...*

 

ग़ाज़ियाबाद केंद्रीय कार्यकारिणी कमिटी की मीटिंग में लिए गए निर्णय अनुसार, जिसकी जानकारी सीएचक्यू के परिपत्र क्रमांक 04 दिनांक 08.04.2019 के द्वारा दी जा चुकी है, देश भर में "बीएसएनएल बचाओ - देश बचाओ" अभियान आज से शुरू करना है, जो 30.04.2019 तक जारी रहेगा। तदनुसार, सम्पूर्ण देश मे नुक्कड़ सभाएं आयोजित करना है। BSNL के रिवाइवल हेतु उठाए गए मुद्दों पर आम जनता का सहयोग प्राप्त करना है। BSNL को 4G स्पेक्ट्रम का आवंटन, रिलायंस जियो समर्थक नीतियां, VRS हेतु हमारा विरोध इत्यादि मुद्दों पर प्रमुख रूप से नुक्कड़ सभाओं के माध्यम से प्रकाश डालना है।सीएचक्यू का सभी सर्किल और डिस्ट्रिक्ट यूनियन्स से अनुरोध है कि इस अभियान को प्रभावी रूप से आयोजित करें और CHQ को रिपोर्ट प्रेषित करें।

 
[13th Apr 2019]

আজ থেকে দেশ জুড়ে শুরু হচ্ছে বিএসএনএল বাঁচাও দেশ বাঁচাও কর্মসূচি 

 

গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত বিএসএনএলইইউ এর সিইসি মিটিং থেকে গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যা ৪ নং সার্কুলার ০৮.০৪.২০১৯ তারিখে দেওয়া হয়, আজ থেকে "বিএসএনএল বাঁচাও দেশ বাঁচাও " কর্মসূচি আগামী ৩০.০৪.২০১৯ পর্যন্ত চলবে । দেশ জুড়ে স্ট্রীট কর্ণার মিটিং অনুষ্ঠিত করতে হবে ও বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর জন্য সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের দাবিগুলি নিয়ে পৌঁছাতে হবে । বিএসএনএল কে ৪জি স্পেকট্রাম প্রদান না করা, কেন্দ্রীয় সরকারের রিলায়েন্স জিও অনুসারী ও বিএসএনএল বিরোধী নীতি, বিএসএনএল এর কর্মচারীরা ভিআরএস চালু করার বিরুদ্ধে ইত্যাদি বিষয়ে ঐ সমাবেশে বক্তব্যের মাধ্যমে সমস্ত জনসাধারণের কাছে সুস্পষ্ট ভাবে তুলে ধরতে হবে । সমস্ত ডিস্ট্রিক্ট ও সার্কেল সম্পাদকদের অনুরোধ জানানো হচ্ছে যে এই কর্মসূচি গুরুত্ব সহকারে পালন করতে হবে ও এর রিপোর্ট পাঠাতে হবে । 

 
[12th Apr 2019]

বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ সমাবেশ 

 

গতকাল বিএসএনএল এর ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলি যৌথ ভাবে সিএমডি, বিএসএনএল ও ডিওটি এর সেক্রেটারি কে নোটিশ দিয়েছিলেন যে বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করা যাবে না । তাই আজ সাড়া দেশ জুড়ে  বিক্ষোভ সমাবেশ সংগঠিত হয়েছিল বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে । কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর টেলিফোন ভবন, টেরিটি বাজার, বড়বাজার ,  এন্টালী, কালিঘাট, যাদবপুর, বেহালা, শ্রীরামপুর, হাওড়া প্রভৃতি এলাকায় বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় । টেলিফোন ভবন এ অনুষ্ঠিত সভায় কম শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ, কম শেখর মজুমদার, সার্কেল সম্পাদক, এনএফটিই ও কম দীপঙ্কর ব্যানার্জি, কার্যকরী সম্পাদক, এআইবিএসএনএলইএ টেলিফোন ভবন ব্রাঞ্চ, উপস্থিত নন-এক্সিকিউটিভ ও এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের সামনে ভিআরএস এর অযৌক্তিকতা এবং পরবর্তীকালে বিএসএনএল এর অস্তিত্বের ক্ষেত্রে যে  বিরূপ প্রভাব ফেলবে তা বলেন। 

 
[11th Apr 2019]

বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করার বিরুদ্ধে ১২ এপ্রিল ২০১৯ দেশ জুড়ে  প্রতিবাদ কর্মসূচি :

 

আজ ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার বিএসএনএল এর বিভিন্ন ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলি মিলিত ভাবে ভিআরএস চালু করার বিরুদ্ধে আগামীকাল প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করার নোটিশ সিএমডি, বিএসএনএল ও ডিওটি এর সেক্রেটারি কে প্রদান করেন। বিএসএনএলইইউ, এনএফটিই, এআইবিএসএনএলইএ, বিএসএনএল এমএস, বিএসএনএল এটিএম, টিইপিইউ ও বিএসএনএলওএ এর জিএস এই নোটিশে সাক্ষর করেন। তারা আগামীকাল এর বিক্ষোভ সমাবেশ নিম্নলিখিত কারণে সংগঠিত করতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন :

ডিওটি ও বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ তড়িঘড়ি করে বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর নামে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প চালু করতে চলেছেন। এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে বিএসএনএল বা ডিওটি কেউই এই ব্যাপারে বিএসএনএল এর ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলির সাথে আলোচনা করার প্রয়োজন অনুভব করেন নি যদিও কর্মচারীরা বিএসএনএল এর গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। তাদের অন্ধকারে রেখে তথাকথিত আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার সম্ভব নয় । তাই বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর নামে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প বাস্তবে বাধ্যতামূলক।

বিএসএনএল এর ইউনিয়ন এবং অ্যাসোসিয়েশন সমূহ বারবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানায় যে বিএসএনএল এর ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট পলিসির অনুমোদন করার জন্য যাতে এর সাহায্যে উৎপন্ন রাজস্ব বিএসএনএল এর উন্নয়ন ও  আর্থিক পুনরুদ্ধারের কাজে লাগান যায়। কিন্তু কেন্দ্রীয় সরকার সুচতুরভাবে একে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প চালু করার কাজে লাগালেন। বিএসএনএল এর উন্নতি ও আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর জন্য প্রয়োজনীয় ফান্ড না দেওয়ার জন্য এটি একটি সুচিন্তিত পরিকল্পনা । 

এই বিষয়টি প্রচার করা হচ্ছে যে বিএসএনএল এর কর্মচারী সংখ্যা এর আর্থিক সমস্যার প্রধান কারণ। কিন্তু বাস্তবে এই বিএসএনএলই ২০০৪-০৫ আর্থিক বছরে ১০০০০ কোটি টাকা লাভ করেছিল যখন এর কর্মচারী সংখ্যা আজকের তুলনায় ১.৫ লক্ষ বেশি ছিল । পরবর্তী কালে বিএসএনএল আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয় কারণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করার জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ কেনার জন্য অনুমোদন না পাওয়ায়। 

রিলায়েন্স জিও এর প্রিডেটরী প্রাইসিং এর প্রত্যক্ষ প্রভাবে বিএসএনএলকে আজ আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে । রিলায়েন্স জিও এর পরিষেবা চালু করার আগের তিনটি আর্থিক বছরে অর্থাৎ ২০১৪-১৫, ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ বিএসএনএল অপারেশনাল প্রফিট করেছিল এটি আগের বক্তব্যের সত্যতা প্রমাণ করে । এই সমস্যার সমাধান করাই বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর লক্ষ্যে সঠিক পদক্ষেপ । বিএসএনএল এর আর্থিক স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধার এর জন্য ভিআরএস সঠিক পথ নয় ।

একটা বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে যে ভিআরএস সম্পূর্ণ  কর্মীর ইচ্ছার উপর এব্যাপারে কাউকে বাধ্য করা হবে না। এই কথাটা একটি ভ্রান্ত আশ্বাস। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার এমন একটা পরিস্থিতির সৃষ্টি করছেন যাতে কর্মচারীরা আগামী দিনে সময়মত বেতন পাওয়ার ব্যাপারে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন ফলে তারা ভিআরএস নিতে বাধ্য হবেন। কার্যত প্রস্তাবিত স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প বাধ্যতামূলক অবসর প্রকল্প ছাড়া আর কিছু না । 

বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর লক্ষ্যে স্বেচ্ছা অবসর প্রকল্প সঠিক পদক্ষেপ নয়। এর আগে এমটিএনএল এ দুবার ভিআরএস চালু করা হয়েছে । কিন্তু ভিআরএস সংস্থাটির আর্থিক সমস্যার সমাধান করতে পারে নি এমটিএনএল ঋণে ডুবে আছে । কেন ভিআরএস এমটিএনএল  কে সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারল না?  কেন্দ্রীয় সরকার এই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন? কেন্দ্রীয় সরকারের  ভিআরএস এর মূল ধারণা হল কর্মচারী সংখ্যা কমানোর মাধ্যমে ভবিষ্যতে বেসরকারীকরন এর রাস্তা প্রসস্ত করা । এটা কোন অবস্থাতেই মেনে নেওয়া সম্ভব নয় ।

আমরা দৃঢ়তার সাথে বিএসএনএল এ ভিআরএস চালু করার বিরোধিতা করছি ও কেন্দ্রীয় সরকার কে তার সিদ্ধান্ত স্থগিত রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি। কেন্দ্রীয় সরকার যদি তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করেন তবে আগামী দিনে আমরা বৃহত্তর আন্দোলনে নামতে বাধ্য হব । 

 
[9th Apr 2019]

সার্কেল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভা 

 

আজ ৯ এপ্রিল মঙ্গলবার বেলা দুটায়  টেলিফোন ভবন আরজেসিএম ঘরে একটি জরুরী সভা আয়োজিত হবে । এই সভায় সমস্ত সার্কেল অফিস  বেয়ারার ও ডিস্ট্রিক্ট সম্পাদকগণ কে অংশ গ্রহণ করতে ও নির্দিষ্ট সময়ে উপস্থিত থাকার জন্য আবেদন জানানো হচ্ছে। এই সভায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি আলোচিত হবে :

১) কম বিশ্বজিৎ শীল , সহকারী সার্কেল সম্পাদক কে কর্তৃপক্ষের দেওয়া কারণ দর্সানোর নোটিশ প্রদান।

২) ৮ ও ৯ জানুয়ারি দুদিনের বেতন কাটার আদেশ ।

৩) বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে কর্মচারীদের  উপস্থিতি নিরূপন  ।

৪) ৬ ও ৭ এপ্রিল গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত বিএসএনএলইইউ এর সিইসি মিটিং এ গৃহীত সিদ্ধান্ত সমূহ পালন করা ।

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA