15th Aug 2019: আসন্ন অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন ,

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ অষ্টম মেম্বারশীপ ভেরিফিকেশন এ বিএসএনএল এমপ্লয়িজ ইউনিয়ন কে পুনরায় বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করুন 

 

20th Mar 2019: বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস পালন করুন,

আগামী ২২ মার্চ ২০১৯  বিএসএনএলইইউ এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা দিবস বিএসএনএল এর প্রতিটি অফিস দফতরে ব্যাপক ঊদ্দীপনার সাথে পালন করুন। 

 

Com Prabir Kumar Dutta
( President )

Com. Sisir Kumar Roy
( Secretary )

Com. Debasis Dey
( Treasurer )

 
 
bsnleuctc@yahoo.co.in
 
BSNL Employees Union Calcutta Telephones Circle
 
Site Updated On : 6th Apr 2020
 
[10th Feb 2020]

এইউএবি কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর মিটিং

 

আজ ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, সোমবার টেলিফোন ভবন আরজেসিএম ঘরে এইউএবি কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর মিটিং অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় বিএসএনএলইইউ, এসএনইএ, এআইবিএসএনএলইএ, এফএনটীও এবং এসএনএটিটিএ এর সার্কেল নেতৃত্ব উপস্থিত ছিলেন। কম অলোক নন্দী সভায় সভাপতিত্ব করেন । বিএসএনএলইইউ এর পক্ষে কম শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক, কম শর্মিলা দত্ত, সহকারী সভাপতি, কম স্বপন ভারতী, সহকারী সভাপতি ও কম বিশ্বজিৎ শীল, সহকারী সার্কেল সম্পাদক, এআইবিএসএনএলইএ এর পক্ষে কম শুভাশিস মিত্র, সার্কেল সম্পাদক ও কম অজয় কুন্ডু, এফএনটীও এর পক্ষে কম অলোক নন্দী, সার্কেল সম্পাদক, এসএনইএ এর পক্ষে কম সৌমেন্দ্রনাথ ঘোষ, সার্কেল সম্পাদক ও কম শঙ্কর সান্যাল, সার্কেল সভাপতি এবং কম সমীর দাস এসএনএটিটিএ এর পক্ষে আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন। বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নলিখিত সিদ্ধান্তগুলি গৃহীত হয়,

১) ১১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১-৩০টায় সিজিএম কলকাতা টেলিফোন্স এর দপ্তরের সামনে মধ্যাহ্ন বিরতিতে বিক্ষোভ সমাবেশ।

২) ২৪ ফেব্রুয়ারি ১১টা থেকে বিকেল ৫টা অনশন ধর্মঘট ।

এইউএবি কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর পক্ষ থেকে সমস্ত কর্মচারীদের এই সকল কর্মসূচিতে ব্যাপক সংখ্যায় অংশ গ্রহণ এর মাধ্যমে সফল করার আহবান জানান হচ্ছে।

 
[6th Feb 2020]

এইউএবি এর পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘোষণা করা হলো

 

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ এইউএবি নেতৃত্ব কম চন্দেশ্বর সিং এর সভাপতিত্বে একটি সভা আয়োজন করেন। এই সভায় এইউএবি এর অন্তর্ভুক্ত সমস্ত সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক উপস্থিত ছিলেন। কম পি অভিমন্যু, আহ্বায়ক, এইউএবি সভায় উপস্থিত সদস্যদের স্বাগত জানান ও আলোচ্য সূচি ব্যাখ্যা করেন । সভায় বিস্তারিত আলোচনার পর নিম্নলিখিত দাবিগুলিতে আন্দোলন সংগঠিত করার আহবান জানান হয়,

দাবি সমূহ :-

১) অবিলম্বে বকেয়া ডিসেম্বর, ২০১৯ ও জানুয়ারি, ২০২০ মাসের বেতন প্রদান করতে হবে। সেই সাথে পরবর্তী মাসের বেতন সময়মত প্রদান করতে হবে।

২) অবিলম্বে কর্মচারীদের বেতন থেকে কেটে নেওয়া টাকা যা এখনও পর্যন্ত প্রদান করা হয় নি তা বিভিন্ন ইউনিয়ন ও অ্যাসোসিয়েশন, কোঅপারেটিভ, ব্যাঙ্ক ও অন্যান্য সংগঠনগুলিকে দিতে হবে।

৩) বিএসএনএল কে ৪জি পরিষেবা অবিলম্বে চালু করতে হবে।

৪) বিএসএনএল এর বন্ড চালু করার জন্য প্রয়োজনীয় গ্যারান্টি কেন্দ্রীয় সরকার কে অবিলম্বে ব্যবস্থা করতে হবে।

৫) এফ আর ১৭এ ধারায় জারি করা নির্দেশ অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।

৬) ভিআরএস পরবর্তী কালে কোনরকম একতরফা স্থানান্তর এর আদেশ জারি করা চলবে না।

কর্মসূচি :-

১) আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ মধ্যাহ্ন বিরতির সময় বিক্ষোভ সমাবেশ ।

২) আগামী ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সমস্ত স্তরে কর্মচারীদের অনশন ধর্ণা কর্মসূচি ।

 
[4th Feb 2020]

সিটিও টেলিকম ইন্সটিটিউট হলে যৌথ কনভেনশন

 

৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, মঙ্গলবার সিটিও বিল্ডিং এর টেলিকম ইন্সটিটিউট হলে একটি কনভেনশন এর আয়োজন করা হয় বিএসএনএলইইউ, সিটিটিএমইউ ও এআইবিডিপিএ এর যৌথ উদ্যোগে। এই কনভেনশন পরিচালনা করার জন্য কম শিশির কুমার রায়, সার্কেল সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ ও কম তপন ঘোষ, সার্কেল সভাপতি, সিটিটিএমইউ কে নিয়ে সভাপতিমনডলী গঠিত হয়। এই কনভেনশনের মূল দাবি গুলি হল, ১) বিএসএনএল কে বাঁচাতে হবে, ২) অবিলম্বে নিয়মিত ও অনিয়মিত কর্মচারীদের বকেয়া বেতন প্রদান, ৩) বিএসএনএল এর কাজ আউট সোর্স করা ও ঠিকা কর্মচারীদের ছাঁটাই করা চলবে না। কম অনিমেষ মিত্র, সার্কেল সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ, পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল উপস্থিত সদস্যদের সামনে এই দাবিগুলি আদায় করার জন্য কর্মসূচি পেশ করেন। কম অনাদি সাহু, সাধারণ সম্পাদক, সিআইটিইউ তার বক্তব্যে কেন্দ্রের মোদী সরকারের বিএসএনএল তথা সমগ্র রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্র বিরোধী নীতির সমালোচনা করেন। তিনি আরও বলেন কেবলমাত্র সমস্ত গণসংগঠনগুলির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রকে রক্ষা করতে পারে। কম অরূপ সরকার, সার্কেল সম্পাদক, সিটিটিএমইউ তার বক্তব্যে আসন্ন কর্মসূচিগুলি পালন করতে সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার কথা বলেন। কম ওমপ্রকাশ সিং, সাধারণ সম্পাদক, বিএসএনএল কো-অর্ডিনেশন কমিটি এবং কম সঞ্জীব ব্যানার্জি, সার্কেল সম্পাদক, এআইবিডিপিএ কনভেনশনে বক্তব্য রাখেন। টেলিফোন ভবন, আলিপুর টেলিকম ফ্যাক্টরি ও সল্টলেক ট্রেনিং সেন্টার বিক্রি বা লীজের বিরোধিতা করা হয়। কনভেনশন থেকে পোষ্টার, লিফলেট এর মাধ্যমে প্রচার কর্মসূচি, কলকাতা টেলিফোন্স ও পশ্চিমবঙ্গ সার্কেল এর সিজিএম দপ্তরের সামনে ধর্না, বিক্ষোভ ইত্যাদি সংগঠিত করার কথা ঘোষণা হয়। ব্যাপক সংখ্যায় নিয়মিত, অনিয়মিত ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীরা এই কনভেনশনে উপস্থিত ছিলেন।

 
[1st Feb 2020]

সিজিএম কলকাতা টেলিফোন্স এর দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ

 

আজ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, শনিবার কলকাতা টেলিফোন্স সার্কেল এর চীফ জেনারেল ম্যানেজার এর দপ্তরের সামনে বিএসএনএলইইউ, কলকাতা টেলিফোন্স ঠিকা মজদুর ইউনিয়ন এবং এআইবিডিপিএ এর যৌথ উদ্যোগে এক ব্যাপক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় নিয়মিত কর্মচারীদের দুমাসের বেতন ও ঠিকা কর্মচারীদের বকেয়া বেতন প্রদান এর দাবিতে। এই সভায় কম শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক, বিএসএনএলইইউ, কম অরূপ সরকার, সার্কেল সম্পাদক, সিটিটিএমইউ এবং কম সঞ্জীব ব্যানার্জি, সার্কেল সম্পাদক, এআইবিডিপিএ বক্তব্য রাখেন। বক্তারা তাদের বক্তব্যে নিয়মিত কর্মচারীদের বকেয়া বেতন, ভিআরএস পরবর্তী কালে নন-এক্সিকিউটিভ কর্মচারীদের একতরফা ভাবে কোনও আলোচনা না করে ট্রান্সফার ও পোস্টিং করা, ঠিকা শ্রমিকদের বিগত দশ মাসের বকেয়া বেতন, ঠিকা শ্রমিকদের ছাঁটাই করার প্রচেষ্টা ও কলকাতা টেলিফোন্স এর টেলিফোন ভবন সহ অন্যান্য সম্পত্তি ভাড়া বা লীজে দেওয়ার প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেন। সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে একটি প্রতিনিধি দল সিজিএম এর সঙ্গে দেখা করে উপরোক্ত বিষয়গুলি নিয়ে একটা স্মারকলিপি দেন এবং বিস্তারিত আলোচনা করেন। 

 
[26th Jan 2020]

ভারত এর সংবিধান অনুযায়ী এটি একটি সার্বভৌম, সমাজতান্ত্রিক, ধর্ম নিরপেক্ষ, গণতান্ত্রিক সাধারণতন্ত্র । ৭১তম প্রজাতন্ত্র দিবসে আমাদের শপথ গ্রহণ করতে হবে ভারতের সংবিধান এর উপর যে কোন আক্রমণ আমরা ঐক্যবদ্ধ ভাবে প্রতিরোধ করব।

 
 
[26th Dec 2019]

২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯ সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মহাজাতি সদন পযন্ত মিছিল 

 

সাথী জেলা সম্পাদক ও সার্কেল নেতৃবৃন্দ ,

 

 কমরেড, পূর্ব ঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী 27শে ডিসেম্বর যে কর্মসুচি ঘোষণা করা হয়েছিল তা পরিবর্তন হচ্ছে । এদিন আগামী ৮ই জানুয়ারী, 2020 দেশজুড়ে ধর্মঘটের সমর্থনে ও NRC, CAA, NPR কে সামনে রেখে কেন্দ্রীয় সরকারের জনবিরোধী নিতির প্রতিবাদে আমাদের রাজ্যের ১৭টি বামপন্থী রাজনৈতিক দল ও কংগ্রেস সাথে সমস্ত কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়ন ও ফেডারেশনের যুক্ত মন্চের ঐতিহাসিক মিছিল সংগঠিত হবে সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মহাজাতি সদন পযন্ত ।

এই মিছিল টি ঠিক 2 টো 30মিনিটে সুরু হবে। সকল কমরেড বন্ধুদের দুপুর ঠিক 2টোয় উপস্থিত থাকার জন্য আহ্বান জানান হচ্ছে । 

 কেন্দ্রীয় সরকারের জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এই মিছিল, একজন শ্রমিক কর্মচারী ও দেশের নাগরিক হিসেবে আমাদের এই প্রতিবাদ মিছিলে যুক্ত হবার প্রয়োজন, কমরেডরা সকলেই সামিল হবেন এই আশা করছি।

শিশির রায়, সার্কেল সম্পাদক 

 
[23rd Dec 2019]

৮ জানুয়ারি, ২০২০ সাধারণ ধর্মঘট বিএসএনএল - এ সফল করুন

 

৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ন্যাশনাল ওপেন মাস কনভেনশনে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্পোরেট অনুসারী ও শ্রমিক বিরোধী নয়া উদারবাদী নীতি প্রয়োগের বিরুদ্ধে ভারতের শ্রমিক শ্রেণীকে ৮ জানুয়ারি, ২০২০ একদিনের সাধারণ ধর্মঘট সংগঠনের ডাক দেওয়া হয়। ১২ ও ১৩ অক্টোবর, ২০১৯ গাজিয়াবাদে অনুষ্ঠিত বিএসএনএলইইউ এর সেন্ট্রাল এক্সিকিউটিভ কমিটির সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এই সাধারণ ধর্মঘট বিএসএনএল এও সফল ভাবে সংগঠিত করতে হবে।

কেন এই সাধারণ ধর্মঘট?

২০১৪ সালে নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব ভার গ্রহণ করার পর বলেছিলেন, "আমি গরীব পরিবার থেকে এসেছি। তাই গরীবের সেবায় আমি আমার সমস্ত শক্তি নিয়োগ করব।" বিগত ৫ ১/২ বছরের অভিজ্ঞতা প্রমাণ করছে যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কর্পোরেট অনুসারী ও শ্রমিক বিরোধী নীতি রূপায়ণ করে চলেছেন। উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে যখন কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি কর্মচারীদের নূন্যতম বেতন ১৮০০০ টাকা করার দাবি জানান তখন নরেন্দ্র মোদী নেতৃত্বাধীন সরকার সেই দাবি নাকচ করে দেন। কিন্তু বর্তমানে কর্পোরেট ট্যাক্স ৩০% থেকে ২২% ও ১৫% এ নামিয়ে আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের বৃহৎ পুঁজিপতিদের এই খাতে ১৪৫০০০ কোটি টাকা লাভ হলো। কেন্দ্রীয় সরকারের নয়া উদারবাদী নীতি কঠোর ভাবে অনুসরণ এর ফলে দেশের ধনীরা আরো ধনী ও গরীবরা আরো গরীব হয়েছে। পরিসংখ্যান থেকে জানা যায় ভারতে ২০১৭ উৎপাদিত মোট সম্পদের ৭৩% কুক্ষিগত হয়েছে জনসংখ্যার ১% এর হাতে। কেন্দ্রীয় সরকারের কর্পোরেট অনুসারী ও শ্রমিক বিরোধী অর্থনৈতিক নীতির এর থেকে বড় প্রমাণ আর কি হতে পারে?

দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার উপর আক্রমণ

২০১৪ সালে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রের উপর আক্রমণ ক্রমাগত বৃদ্ধি করে চলেছে। ভারতীয় রেলকে ব্যাপক ভাবে বেসরকারীকরন করছে। কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করেছে, ১৫০টি ট্রেন বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। তাছাড়া কেন্দ্রীয় সরকার রেলের বিভিন্ন কারখানাগুলিকে বেসরকারীকরন এর লক্ষ্যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে যার বিরুদ্ধে ব্যাপক সংগ্রাম সংগঠিত হচ্ছে। সরকার সমস্ত অর্ডনান্স ফ্যাক্টরিগুলি যেখান থেকে দেশের সৈন্য বাহিনীর প্রয়োজনীয় অস্ত্র ও গোলা বারুদ উৎপাদিত হয় সেগুলি দ্রুত বেসরকারীকরন এর প্রচেষ্টা করছে। এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে দেশের ৪১টি অর্ডনান্স ফ্যাক্টরির প্রায় ১ লক্ষ প্রতিরক্ষা শ্রমিক আগষ্ট, ২০১৯ এ ৫ দিনের ধর্মঘট করেন। ব্যাঙ্কিং ক্ষেত্রের সংস্কার এর নামে মোদী সরকার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলিকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করছে। ১০টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে ৪টি ব্যাঙ্কে পরিণত করা এই দিকে একটি পদক্ষেপ। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কগুলির এই সংযুক্তিকরণের বিরুদ্ধে ২২ অক্টোবর, ২০১৯ একদিনের ব্যাপক ধর্মঘট সংগঠিত করেন ব্যাঙ্ক কর্মচারীরা । ভারত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন লিমিটেড (বিপিসিএল) যা বিগত অর্থ বর্ষে ব্যাপক লাভ করেছে সেই সংস্থাকেও সরকার বেসরকারীকরন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এইচপিসিএল বা অন্যান্য রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলির বেসরকারীকরন আর খুব বেশি দেরি নেই। ২৮ নভেম্বর, ২০১৯ রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থাগুলি এক দিনের ব্যাপক ধর্মঘট সংগঠিত করেছিল এই বেসরকারীকরন এর বিরুদ্ধে। এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি স্মরণে আনতে হবে যে উপরোক্ত ধর্মঘটগুলি কর্মচারীদের দাবি দাওয়া আদায়ের বদলে দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রগুলি রক্ষার জন্য সংগঠিত হয়েছিল।

শ্রমিক শ্রেণীর অধিকার এর উপর আক্রমণ

দেশের যে সমস্ত শ্রম আইন গুলো আছে সেগুলো আকাশ থেকে পড়ে নি। দেশের শ্রমিক শ্রেণীর এগুলো কষ্টার্জিত অধিকার। নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকার এই আইনগুলিকে পরিবর্তন করার জন্য নিরলস চেষ্টা করে চলেছে। "শ্রম আইন সংশোধন " করার নামে যেটুকু নূন্যতম সুরক্ষা কর্মচারীদের এই আইনগুলি নিশ্চিত করেছিল তা হয় তুলে দেওয়া হয়েছে অথবা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই শ্রম আইন সংশোধন মালিক পক্ষের হাতে কর্মচারীদের আরো বেশি শোষণ করার ক্ষমতা তুলে দিয়েছে।

বিএসএনএল কে রক্ষা করতে হবে

কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএনএল এর আর্থিক পুনরুদ্ধার প্রকল্প ঘোষণা করেছে। এই পুনরুদ্ধার প্রকল্পে প্রায় ৮০০০০ কর্মচারী কে স্বেচ্ছাবসরের নামে বাড়ি পাঠানো হয়েছে। মাননীয় যোগাযোগ মন্ত্রী ঘোষণা করেছেন যে বিএসএনএল কে বেসরকারীকরন বা বিলগ্নীকরণ করা হবে না। কিন্তু এই ঘোষণা গুলির প্রকৃত পক্ষে কোন মূল্য নেই। যতদিন মুকেশ আম্বানি টেলিকম ক্ষেত্রে থাকবে ততদিন বিএসএনএল বেসরকারীকরন এড়াতে পারবে না। দেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রকে সুরক্ষিত রাখতে না পারলে বিএসএনএল সুরক্ষিত থাকতে পারে না।

২০১৭, ২০১৮ ও ২০১৯ সালে পরপর তিনটি ধর্মঘট করা সত্ত্বেও বিএসএনএল এর তৃতীয় বেতন চুক্তি আদায় করা সম্ভব হয় নি। বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থার দোহাই দিয়ে বেতন সংশোধন নাকচ করা কর্মচারীদের উপর মস্ত অবিচার। একই ভাবে, পেনশন সংশোধন বেতন সংশোধন এর সঙ্গে সম্পর্ক যুক্ত হওয়ায় অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের ক্ষেত্রেও তা আদায় করা যায় নি। বিএসএনএল এর আর্থিক অবস্থা পুনরুদ্ধার এর জন্য আর্থিক সহায়তা, বিএসএনএল এ নিযুক্ত কর্মচারীদের ৩০% অবসরকালীন সুবিধা, নিয়মিত ও অনিয়মিত কর্মচারীদের বেতন সময় মত প্রদান ইত্যাদি দাবিগুলি আদায় করতে হলে আন্দোলন সংগঠিত করতে হবে।

তাই বিএসএনএল কে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা হিসেবে রক্ষা করতে ও আমাদের ন্যায্য দাবিগুলি আদায় করতে আমরা বিএসএনএল এর সমস্ত কর্মচারীদের ব্যাপক সংখ্যায় ধর্মঘটে অংশ গ্রহণ করতে আহ্বান জানাচ্ছি।

দাবি সনদ

অংশ ক

১) রাষ্ট্রায়ত্ত ক্ষেত্রগুলি বিলগ্নীকরণ / বেসরকারীকরন বন্ধ কর।

২) মালিক পক্ষের পক্ষে শ্রম আইন সংশোধন চলবে না।

৩) নূন্যতম মজুরি ২১০০০ টাকা সুনিশ্চিত করতে হবে।

৪) দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।

৫) কর্ম সংস্থান এর মাধ্যমে বেকারী বৃদ্ধি রুখতে হবে।

৬) সমস্ত শ্রমিক কর্মচারীদের সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনতে হবে।

৭) সবার জন্য নূন্যতম পেনশন ১০০০০ টাকার ব্যবস্থা কেন্দ্রীয় সরকারকে করতে হবে।

অংশ খ

১) বিএসএনএল কে বেসরকারীকরন / বিলগ্নীকরণ করা চলবে না।

২) বিএসএনএল কর্মচারীদের তৃতীয় বেতন সংশোধন ০১.০১.২০১৭ থেকে চালু করতে হবে।

৩) বিএসএনএল এর নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ / উন্নয়ন এবং গ্রামীণ ক্ষেত্রে পরিষেবা দেওয়ার জন্য ক্ষতির ক্ষতিপূরণ করার জন্য বিএসএনএল কে আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। 

৪) বিএসএনএল এর অবসরপ্রাপ্তদের পেনশন সংশোধন ০১.০১.২০১৭ থেকে চালু করতে হবে।

৫) বিএসএনএল নিযুক্ত কর্মচারীদের ৩০ % অবসরকালীন সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।

৬) বিএসএনএল কর্মচারীদের নির্দিষ্ট দিনে বেতন বিএসএনএল / ডিওটি কে প্রদান করতে হবে।

৭) জব কন্ট্রাক্ট লেবারদের বেতন প্রদান সুনিশ্চিত করতে হবে।

কম শিশির রায়,

সার্কেল সম্পাদক

 
You are Visitor Number Hit Counter
Hit Counter
[CHQ] [AP] [Kerala] [Karnataka] [Tamil Nadu] [Calcutta] [West Bengal] [Punjab] [Maharashtra] [Orissa] [MP] [Gujrat] [SNEA] [AIBSNLEA] [TEPU]
[Intranet / BSNL] [DOT] [DPE] [TRAI] [PIB] [CITU ] / AIBDPA